মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১১ ১৪৩১

এবারও পলাশের পক্ষে আ.লীগের মনোনয়নপত্র ক্রয়

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০২৩  


# গত ত্রিশ বছরে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন এলাকায় কাংখিত উন্নয়ন হয়নি : পলাশ
অবশেষে এবারও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন জাতীয় শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় নেতা কাউসার আহম্মেদ পলাশ। তিনি তার দল আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। গতকাল তিনি তার সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাউসার আহম্মেদ পলাশ বলেন, নির্বাচনে অংশ নিতে চাই তাই দলের মনোনয়ন পত্র ক্রয় করলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং দল যদি সুযোগ দেন তাহলে নির্বাচন করবো। আমি মানুষের কল্যানে কাজ করতে চাই। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের জনগন দেখেছে এই আসন থেকে এর আগে আরো অনেকেই এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্ত্র এলাকাবাসীর স্বার্থে তেমন কোনো উন্নয়ন কেউ করে নাই।

 

 

বিশেষ করে ফতুল্লা থানা এলাকার পাঁচটি ইউনিয়নে বলতে গেলে কোনো উন্নয়নই হয় নাই। বরং বিগত ত্রিশ বছরে যে পরিমান মানুষ বেড়েছে সেই তুলনায় জনগনের কল্যানে তেমন কোনো উন্নয়ন হয় নাই। রাস্তায় সীমাহীন যানজট, প্রায় সারা বছর জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাট, খালবিল, পুকুর নালা দখল, ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা হাসপাতাল না হওয়া থেকে শুরু করে।

 


জনগনের কল্যানে তেমন কোনো কাজই হয় নাই। অথচ বিগত পনের বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। ফতুল্লার উন্নয়নেও তিনি বরাদ্ধ কম দেন নাই। কিন্তু সঠিক তদারকি না থাকায় এবং আরো নানা কারনে উন্নয়ন বঞ্চিত রয়ে গেছে অত্র এলাকার মানুষ।

 

 

তাই আমি যদি মনোনয়ন পাই তাহলে রাতদিন একাকার করে ফতুল্লা সহ নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের জনগনের কল্যানে ব্যাপক উন্নয়ন করার চেষ্ঠা করবো ইনশাআল্লাহ।

 


প্রসঙ্গত এরই মাঝে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষনা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৭ জানুয়ারী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এবারের নির্বাচন একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া বাকী জনপ্রিয় দলগুলি বর্জন করে চলেছে। বিএনপি সহ সমমনা দলগুলি টানা হরতাল অবরোধ দিয়ে চলেছে।

 

 

এমতাবস্থায় এবারের নির্বাচনও একতরফা একটি নির্বাচন হিসাবে বিবেচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারন শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নিলেও এই দলটির এখন আর কোনো গ্রহনযোগ্যতা জনগনের কাছে নেই। তাছাড়া জাতীয় পার্টি সরকারেরই বি টিম হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

 

তাই শেষ পর্যন্ত তারা হয়তো এবারের নির্বাচনেও অংশ নেবে। কিন্তু বিএনপি, জামাত এবং ইসলামী আন্দোলন সহ পরিচিত এবং জনপ্রিয় দলগুলি নির্বাচন বর্জন করছে। এমতাবস্থায় ৭ জানুয়ারী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন যিনিই পান না কেনো তিনিই জয়ী হবেন।

 

 

এই আসনের বর্তমান এমপি একেএম শামীম ওসমানও নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও তিনি এবার নির্বাচন করবেন না বলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন। তাই শেষ পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাড়ায় সেটাই এখন দেখার বিষয়।

এই বিভাগের আরো খবর