শনিবার   ২৮ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৯

গিয়াসউদ্দিনের সন্তানরা বিপাকে

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৯ মে ২০২২  

# ঘটনা ভিন্ন খাতে নিলে ন্যায় বিচার পাবে না মামুন মাহমুদ
# গিয়াস পুত্রকে ফাঁসালে পার পেয়ে যাবে প্রকৃত অপরাধীরা

 

তারা সাবেক এমপি মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিনের দুই সন্তান। তাদের একজনের নাম গোলাম গোলাম মোহাম্মদ সাদরিল এবং অপরজন গোলাম মোহাম্মদ রিফাত। বড় ছেলে গোলাম মোহাম্মদ সাদরিল এবার নিয়ে পর পর দুইবার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তাই বিগত ছয় বছরে তার একটি পরিচিতি তৈরী হলেও ছোটো ছেলে রিফাতকে সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষ ভালো মতো চিনেন না পর্যন্ত।

 

অথচ সেই রিফাতকেই এবার ঈদের ঠিক আগ মুহুর্ত্বে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মামুন মাহমুদের উপর হামলার অভিযোগ এনে চরম ভাবে হয়রানী করা হলো। পুলিশ গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে। যার ফলে এবারের ঈদে আর এই পরিবারের ঈদ করা হয়ে উঠেনি। এর আগেও গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী ও কাউন্সিলর সাদরিলের মা ইন্তেকাল করার আগে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হয়।

 

যার ফলে মায়ের নামাজে জানাযায় অংশ নিতে পারেননি সাদরিল। তাই সিদ্ধিরগঞ্জবাসী এখন অভিযোগ করছেন সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করতে ব্যার্থ হয়ে বার বার ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে তাকে এবং তার ছেলেদেরকে হয়রানী করা হচ্ছে।

 

এবার মামুন মাহমুদকে কে বা কারা ছড়িকাঘাত করেছে এটা তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই গিয়াস উদ্দিন ও তার ছেলের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে একজন গডফাদারের নির্দেশে তার অনুগতরা গিয়াস উদ্দিন ও তার ছোটো ছেলে রিাফাতকে জরিয়ে কল্প কাহিনী রচনা করেছেন। আর ওই গডফাদারের প্রভাবেই গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে।


এদিকে মামুন মাহমুদের উপর কে বা কারা হামলা চালিয়েছে এটা নিয়ে বিএনপির ভেতর মতপার্থক্য থাকলেও গিয়াস উদ্দিনের ছেলে রিফাত যে জরিত নয় এটা নিয়ে এই দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীর কোনো সন্দেহ নেই। কারন এই রিফাত বরাবরই সাদাসিদা জীবনযাপন করেন। গিয়াস উদ্দিনের দুই ছেলের একজনও যে কোনো রকম অপরাধের সঙ্গে জরিত নন এটা বিশ্বাস করেন সবাই।

 

তারা যদি অপরাধী হতেন তাহলে বিগত দিনে তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংবাদ পত্রগুলিতে নানা অভিযোগে রিপোর্ট প্রকাশ হতো। কিন্তু এমন একটি প্রমানও কেউ দিতে পারবেন না যে গিয়াস উদ্দিনের ছেলেরা কোনো অপরাধ করেছেন। কারো কোনো ক্ষতি করেছেন বা কাউকে কোনো রকম হুমকি দিয়েছেন। তাই অনেকের মতে একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে গিয়াস উদ্দিন যাই করেন না কেনো তিনি তার দুই ছেলেকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তুলেছেন।

 

অথচ এই ছেলেদেরই বিতর্কিত করার জন্য একজন গডফাদার আর তার অনুগতরা ব্যার্থ চেষ্ঠা করে চলেছেন। এরই মাঝে সূত্রমতে জানা গেছে মামুন মাহমুদের উপর কারা কেনো হামলা চালিয়েছেন এটা এখন পুলিশ প্রশাসনের কাছে পরিস্কার।

 

এতে যে গিয়াস উদ্দিন বা তার ছেলে মোটেও জরিত নন এটা জেনেছে পুলিশ। কিন্তু বিষয়টি ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়ার আপ্রান চেষ্ঠা চলছে। ফলে গিয়াস পরিবারের উপর দোষ চাঁপানো হলে মামুন মাহমুদ ন্যায় বিচার পাবেন না, বরং প্রকৃত অপরাধীরা বেঁেচ যাবে বলেই মনে করেন বিএনপির অধিকাংশ নেতা কর্মী সমর্থক।

এই বিভাগের আরো খবর