মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১১ ১৪৩১

জমির দালাল-চাঁদাবাজদের নতুন আইনে খবর আছে : জেলা প্রশাসক  

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৯ জুন ২০২৪  


দেশব্যাপী শুরু হয়েছে সাতদিনব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৪। ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘স্মার্ট ভূমি সেবা, স্মার্ট নাগরিক’। শতভাগ হয়রানি ভোগান্তি ছাড়াই মিলবে ভূমির যাবতীয় সেবা। গতকাল শনিবার (৮ জুন) সকালে খানপুরে সদর উপজেলা ভুমি অফিসে এ ভূমিসেবা সপ্তাহ ও আলোচনা সভার শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক।

 

 

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেদারুল ইসলাম। নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারীভাবে জমি অধিগ্রহণকৃত ব্যক্তির মধ্যে ৭ জনের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়।

 


প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ অনেক দুর এগিয়ে যাবে। তার অংশ হিসাবে ভুমিসেবার মান উন্নয়ন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যার দলিল তার ভূমি আমরা সেটাকে পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করছি। বর্তমান সময়ে জমির মালিকরা অনেক ধরণের সমস্যা ভুগছেন। তার থেকে আপনাদের মুক্ত করতেই আমাদের নতুন অনেক ধরনের সেবা চালু করা হয়েছে।

 

 

এবং নতুন একটি আইন করা হয়েছে যেখান কোন দালাল ও চাঁদাবাজদের দিন ফুরিয়ে আসছে। আগামীতে তাদের আর কোন ভাত থাকবে না। আপনারা শুধু জানাবেন আর বাকিটা আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। ঢাকা মত আমাদের নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি ভূমিসেবা কেন্দ্র চালু করার ইচ্ছে আছে যেখানে ভুমির যত ধরনের সেবা আছে নামজারি, খাজনা দেওয়া সহ নানা সমস্যার বিষয়ে তাদের কাজ থেকে সেবা নিতে পারবেন তাতে অল্প কিছু টাকা তাকে ফি দিতে হবে সেটাও সরকার নির্ধারিত এবং তারা আপনাদের সকল কাগজ রেডি করে আমাদের ভূমি অফিসে জমা দিবে তাতে আপনারা আর কোন ধরনের ঝামলো থাকবে না।  

 


জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আমাদের সব ধরনের সেবা এখন জিডিটাল করা হয়েছে চাইলে আপনারা নিজেরা মোবাইল ফোন দিয়ে সকল সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। আপনারা জমির কিনার আগেও ঠিক মত সঠিকভাবে কাগজপত্র চেক করে কিনবেন যাতে করে পরে কোন ধরনের ঝামেলা পোহাতে না হয়।  ভূমি অফিসে আসার পরে কেউ যদি আপনার থেকে কোন ধরণের টাকা চায় বা দাবি করেন তাহলে ইউএনও সাহেবকে বা আমাকে জানাবেন আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

 

 

আপনারা দেখেন যাদের বাড়ির পাশ দিয়ে খালগুলো গেছে তারা সকলে খালগুলোকে দখল কওে রেখেছে যার কারণে আপনারা এলাকাগুলোতে পানি জমে থাকে তাতে সাধারণ মানুষের অনেক ভোগান্তি  পোহাতে হয়। আর  অনেক এলাকায় ময়লা পানি ও ডাইং গুলোর সকল পানি সরাসরি নদীতে গিয়ে পরায় সেগুলো অনেক দুষিত হয়ে গেছে। নদীর পানি কালো কুচকুচে হয়ে আছে দেখলে মনে হয় সব ময়লা ও আবজনা দিয়ে ভরে আছে। তাই আপনারা সকলে খালগুলোকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন ও যারা দখল করেছে তাদের দখল মুক্ত করে দিবেন।

 


এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল আলম, সদর এসিল্যান্ড লাইলাতুল হোসেন, ফতুল্লার এসিল্যান্ড মো. শাহাদাৎ হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ এসিল্যান্ড তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া, বক্তাবলী ইউপি চেয়ারম্যান, এম শওকত আলী, ফতুল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফাইজুল ইসলাম, এনায়েতনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান, গোগরনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজর আলী প্রমুখ।    এন. হুসেইন রনী  /জেসি