মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১১ ১৪৩১

ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবার আওতায় ৪৫ হাজার পরিবার

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২৩  


নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় ‘মাল্টি সেক্টোরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি’ এর ‘ত্রৈমাসিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ মার্চ) দুপুরে নিতাইগঞ্জে অবস্থিত নগরভবনের নবম তলায় প্রকল্প অফিস কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ মোস্তফা আলীর সভাপতিত্বে নারী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম, রন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার ও সমন্বয় কমিটি সদস্যসচিব মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। 

 

 

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের সোশিও ইকোনোমিক এন্ড নিউট্রিশন অফিসার শাহানাজ বেগম, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে কর্মরত বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও টাউন ফেডারেশন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

বাংলাদেশ সরকার, এফসিডিও ও ইউএনডিপি’র আার্থিক ও কারিগরী সহযোগিতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

 

 

ডা. শেখ মোস্তফা আলী বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জনের লক্ষ্যে চলমান প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১৮৭টি সিডিসি’র মাধ্যমে প্রায় ৪৫ হাজার দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারের ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও ক্ষুদ্র স্বাস্থ্য বীমা, পুষ্টি, শিক্ষা, গৃহ নির্মাণ, নিরাপদ পানি ও পয়:নিষ্কাশন, ড্রেন-ফুটপাত নির্মাণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

 

 

প্রতি মাসে উক্ত পরিবারগুলোর গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা ও শিশুকে একক ও দলীয়ভাবে পরামর্শ প্রদান, মাসিক পুষ্টি ফুড বাস্কেট বিতরণ সহ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

 

 

সমন্বয় কমিটির বার্ষিক পরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয়ের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সমাধানের উপায়সহ পরবর্তী করণীয় বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন প্রকল্পের কর্মকর্তা শাহানাজ বেগম।

 

 

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সকল অংশীজনকে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়ন করা গেলে সীমিত সম্পদের মধ্যেই গুণগত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার ও সমন্বয় কমিটি সদস্যসচিব মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

 

 

ডিজিটাল সাস্থ্যসেবা ও ক্ষুদ্র স্বাস্থ্য বীমা কার্যক্রমের পরিধি ১৫ হাজার ৭০০টি নির্বাচিত পরিবারের বাইরেও সিটি কর্পোরেশন এলাকার সকল নাগরিকদের জন্য বর্ধিতকরণ এবং ৭৫০ জন গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা ও শিশুর জন্য নতুন করে একটি পুষ্টি ফুড বাস্কেট কন্ট্রাক্ট বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

এজন্য স্বাস্থ্য বিষয়ক সিটি ষ্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম প্রজেক্টের সদর দপ্তরের কর্মকর্তা ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।  এন.হুসেইন/জেসি

এই বিভাগের আরো খবর