বুধবার   ১৯ মে ২০২১   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৮

তিন দফা দাবিতে শহরে পরিবহন মালিক  শ্রমিকদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২ মে ২০২১  

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে গণপরিবহন চালু করাসহ তিন দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকগণ। রোববার (২ মে) সকালে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে করা এই বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। সমাবেশ থেকে পরিবহন শ্রমিকরা আগামী ৫ মে এর পর পররিবহন চালু করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

 

রোববার সকাল থেকেই নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এসে জড়ো হতে থাকে পরিবহন (বাস) মালিক ও শ্রমিকরা। পরে তারা একসাথে সমবেত হয়ে বাস টার্মিনাল থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু করে দুই নং রেল গেইট ও কালিরবাজার মোড় হয়ে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে গিয়ে সমাপ্ত হয়।
 

বিক্ষোভ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পরিবহন নেতারা বলেন, করোনায় মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। আমরা লকডাউনের বিরোধিতা করছি না। লকডাউনের সবকিছু বন্ধ থাকবে। সেই হিসেবে গণপরিবহন বন্ধ থাকলে পরিবহন শ্রমিকদের কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সবকিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে লকডাউন শিথিল করায় গার্মেন্টস, শপিংমল ও কাঁচাবাজারসহ প্রায় সব ধরণের পরিবহন চলছে শুধুমাত্র গণপরিবহন পরিবহন বন্ধ। লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দীর্ঘ দিন যাবত প্রায় অর্ধেক সড়ক পরিবহন শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। উপার্জনের পথ বন্ধ হওয়ায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
 

এ সময় তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে গণপরিবহন চালু করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়ে বলেন, আমরা চাই সরকার আমাদের পরিবহন  মালিক শ্রকিকদের বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে আগামী ৫ মে’র পর পরিবহন চালু করার সুযোগ করে দিক। অন্যথায় আমরা আমাদের জীবিকার স্বার্থে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো। 
 

দাবিগুলো হচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করা, সড়ক পরিবহন  শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা দেয়া এবং সারাদেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসের চাল বিক্রির ব্যবস্থা করা।
 

প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার জনসমাগম এড়াতে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণার পর বন্ধ হয়ে যায় গণপরিবহন এবং দোকানপাট যা আগামী ৫ মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
 

এই বিভাগের আরো খবর