বুধবার   ২৯ মে ২০২৪   জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪৩১

পূর্ব ইসদাইর যুব সংঘের দোয়া মাহফিল ও নেওয়ার বিতরণ

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৩  

 

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে পূর্ব ইসদাইর যুব সংঘের ব্যবস্থাপনায় মিলাদ ও  দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ আগষ্ট) বিকালে পূর্ব ইসদাইর শাহী জামে মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইউসুফ এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ চার আসন সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম শামীম ওসমান।

 

এসময় তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন ভালো নাই আমাদের সকলকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে। যাদে বিএনপি জামাত এ দেশের কোন ক্ষতি করতে না পারে। আমি খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের সাথে বসবো কি ভাবে কি করা যায় সেটা নিয়ে। শেখ হাসিনা মাত্র ৩১ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন। ওরা কিন্তু ক্ষান্ত হয়নি। জাতির জনকের কন্যাকে ২২ বার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

 

নারায়ণগঞ্জে ২০০১ সালে বোম ব্লাস্ট হয়েছিল। তখন একটা কথাই বলেছিলাম শেখ হাসিনাকে বাঁচান। কারণ আমি মারা গেলে কিছু হবে না। শেখ হাসিনা না থাকলে মানুষের স্বপ্ন পূরণ হবে না। তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে হত্যা করা হয়নি। হত্যা করা হয়েছিল আমাদের স্বপ্নকে। আজ এখানে দাঁড়িয়ে আমরা যারা রাজনীতি করছি, আমাদের রাজনীতি করার কথা ছিল না। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দেশটা অন্যরকম থাকত।

 

যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন আমি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না, আমি মানুষের অধিকার চাই। তিনি সারা জীবন জেলে কাটিয়ে জনগণকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। পাকিস্তানিরা তাকে হত্যা করতে পারেনি। কিন্তু মোশতাক, জিয়াউর রহমানসহ ওরা পেছন থেকে কলকাঠি নেড়ে জাতির জনককে হত্যা করেছে। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা জাতিসংঘে যে ভাষণ দিয়েছিলেন তা তার মৃত্যুর কারণ। তিনি বলেছিলেন আমি শোষক নয় শোষিতের পক্ষে।

 

এ কথাটা বিশ্ব মোড়লরা ভালভাবে নেয়নি। যারা স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল তারা এটা ভালভাবে নেয়নি। তখনও তারা সেন্টমার্টিন দ্বীপ চেয়েছিল, বঙ্গোপসাগর চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি, কারও কাছে আমি দেশের জমি বিক্রি করবো না। শেখ হাসিনা হত্যার পরিবর্তে হত্যা করেননি। ১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর আমরা প্রায় পঞ্চাশ ষাট জন বলেছিলাম স্পেশাল ট্রাইবুনালে এক বছরের মধ্যে বিচার করে তাদের ফাঁসি দেন। তিনি বললেন না, আমি প্রচলিত আইনেই বিচার চাইবো।

 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পূর্ব ইসদাইর শাহী জামে মসজিদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি মহিলা সদস্য ফেরদৌস আরা অনা, ফতুল্ল ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ এর সভাপতি হাজী মিছির আলী, আব্দুল মান্নান, আব্দুর রব ঢালী, পূর্ব ইসদাইর যুব সংঘের সভাপতি, মনিরুজ্জামান, সিনিয়র সহ সভাপতি সাইফুল খান জিবু, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন শিমুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এহ সানুল হাসান শাহীন ও সদস্য কমল, সজীব, রাব্বি, জাহিদ ও গল্প সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এস.এ/জেসি

এই বিভাগের আরো খবর