শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১   আশ্বিন ২ ১৪২৮

মুছাপুরে একই ব্যক্তির নামে দুইবার মৃতসনদ দিয়েছে চেয়ারম্যান মাকসুদ

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১  

# পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে ইউএনও


 
বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নে একই ব্যক্তির নামে দুইবার মৃত্যু সনদ দেয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তি অনেক বছর আগেই মারা গেছেন। তার স্বজনরা ইউপিতে আবেদন করার পর তাদের মৃত্যু সদন দেয়া হয়। পরে স্বজনদের মধ্যে অপরপক্ষ আবেদন করলে তাকে দেয়া হয়েছে আরেক ধরনের মৃত্যু নিবন্ধন। মৃত একই ব্যক্তির নামে দুইটি সনদেই স্বাক্ষর করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন।

 


সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন স্বাক্ষরিত মৃত্যু নিবন্ধনে বলা হয়েছে, মৃত আকবর আলী উপজেলার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার মৃত্যু হয় ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারী। এদিকে চলতে বছরের ২৩ জুন একই ব্যক্তির নামে চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন স্বাক্ষরিত আরেকটি মৃত্যু সনদ দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মৃত আকবর আলী উপজেলার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার মৃত্যু হয় ১৯৮০ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারী।

 

পরিবারের লোকজন তার মরদেহ দাফন করেছেন পিছকামতাল মদীনাতুল উলুম মাদ্রাসায় এতিমখানা ও ঈদগাহ কবরস্থানে। ইতিপূর্বে তার নামে যে মৃত্যু সনদ ইস্যু করা হয়েছিলো তা সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর আবেদনের প্রক্ষিতে কবরস্থান কমিটির সাথে আলোচনা করে প্রদান করা হয়েছিলো কিন্তু পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত তথ্য যাচাই বাছাই করে ও স্থানীয় মুরুব্বীদের সাথে আলোচনা জানা যায় সনদের তারিখ ভূল। তাই মৃত আকবর আলী জন্ম তারিখ নতুন করে প্রতীয়মান করা হয়েছে।  

 


ইউনিয়নের সূত্র বলছে, মৃত আকবর আলী নামে জমি রয়েছে ওই এলাকায়। সেই জায়গার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্ধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এর জেড়ে একই ব্যক্তির নামে দুইবার মৃত্যু সনদ হয়েছে। আগের সনদ প্রদানের নির্ধারিত তারিখ না থাকলেও পরের সনদে তারিখ রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে একই ব্যক্তির নামে দুই সনদ কেন । যদি যাচাই বাছাই করতে হয় তাহলে প্রথম কেন করা হলো না।

এ বিষয়ে জানতে মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনের মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন করা হয় তবে তিনি ফোন ধরেনি।

 

তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার। তিনি যুগের চিন্তাকে জানান, একই ব্যক্তির নামে কেন দুইবার মৃত্যু নিবন্ধন দেয়া হলো সে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। যদি কোন গাফিলতি পাওয়া যায় তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

এই বিভাগের আরো খবর