রোববার   ২১ জুলাই ২০২৪   শ্রাবণ ৬ ১৪৩১

শামীম ওসমানের কারিশমা ও অযাচিত বিড়ম্বনা

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

 

আবারো নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার জানান দিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান। কয়েকদিনের নোটিশেই তিনি যে লাখো জনতার সমাবেশ ঘটাতে সক্ষম এবারও এর প্রমাণ রেখেছেন। গতকাল শনিবার ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে শহরের ২নং রেলগেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের উপস্থিতিতে শামীম ওসমান লোকসমাগমের যে কারিশম্যাটিক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন তা ছিলো নারায়ণগঞ্জে এ বছরের একটি বৃহৎ সফল সমাবেশ।

 

বঙ্গবন্ধু সড়কের পশ্চিমদিকে ২ নং রেলগেট থেকে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবগেট পর্যন্ত বিছানো সারিবদ্ধ চেয়ারগুলো ছিলো লোকে পরিপূর্ণ। পশ্চিমপাশের ফুটপাত এবং পূর্বপাশের সড়কও ছিলো লোকারণ্য। এছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে চাষাঢ়াচত্বর পর্যন্ত লোকজনের আনাগোনা ছিলো চোখে পড়ার মতো।

 

একথা অস্বীকারের উপায় নেই যে, শামীম ওসমান একজন ঝানু সংগঠক এবং অনলবর্ষী বক্তা। তার গোছালো বক্তৃতা শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধের মতো আকৃষ্ট করে। সংসদে দেয়া তার বক্তৃতা খোদ প্রধানমন্ত্রীকেও বেশ আগ্রহ নিয়ে শুনতে দেখা গেছে। শামীম ওসমানের একক আঙ্গুলের ইশারায় তার অনুসারীদের ওঠবস করার কথা প্রবাদের মতো। তার নির্দেশ অমান্যের দুঃসাহস তার অনুসারীদের নেই বললেই চলে। এতোসব গুণাবলী করায়ত্ব করতে পেরেছেন বলেই শামীম ওসমান একজন শক্তিশালী সংগঠক হতে পেরেছেন।

 

অযাচিত বিড়ম্বনা

সমাবেশে লোকসমাগম বাড়াতে কিছু অযাচিত পরিকল্পনা নেয়ায় পথচারিদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাসযাত্রীরা শহরে প্রবেশ করতে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। দুপুর থেকেই যাত্রীবাহী যানবাহন শহরে প্রবেশ এবং বহির্গমণ বন্ধ করে দেয় ট্রাফিক পুলিশ ও লাঠিহাতে কিছু তরুণ। যে কারণে নতুন কোর্ট এলাকা থেকেই যাত্রীরা মাল সামানা নিয়ে পায়ে হেঁটে শহরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

 

যাত্রীবাহী বাসগুলো শহরে না ঢুকে চাষাঢ়া চত্বর ঘুরে ফের লিংকরোডের পথ ধরেছে। কোন প্রাইভেট কারকেও শহরে ঢুকতে কিংবা বের হতে দেয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধু সড়ক দিয়ে যাত্রীরা লাইন ধরে গন্তব্যে যাওয়ার সময় মনে হয়েছে সমাবেশে মিছিল আসছে। কিন্তু এদের অনেকে সমাবেশের কথা জানতেন না। এই বাড়তি ভোগান্তির জন্য এরা সমাবেশের আয়োজনকারীদের দায়ী করেছেন। এস.এ/জেসি

এই বিভাগের আরো খবর