২০০ টি দেশে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালিত হচ্ছে :ডিসি মোস্তাইন বিল্লাহ
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২১, ০৬:২৭ পিএম
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৭ মার্চ) সকাল ৯ টায় নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহসহ এসময় অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিশু কিশোর এবং নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ঐস্বর্গিক ভাবে নির্যাতন এবং অত্যাচার সহ্য করার ক্ষমতা পেয়েছিলেন। তিনি প্রচুর অত্যাচার সহ্য করেও সকলের সাথে বিনয়ের সাথে কথা বলতেন। সেদিনের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিন্তু জানতেন না যে, ২০২১ সালে প্রায় ২‘শ টি দেশে তার জন্মদিন পালিত হচ্ছে। এটি আমাদের শিহরিত করে! ভালোবাসা এবং ভালোবাসার জায়গা তৈরী করে’।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে বাংলাদেশ সারা পৃথীবিতে একটি রোল মডেল হিসেবে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশল হয়েছে একটি মধ্যেম আয়ের দেশ। তাই আমাদের আগামী প্রজন্মের শিশুদের জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে হবে। যেই পরিবারের সন্তান বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করবে সেই সন্তানরা কখনো মাদক স¤্রাট হতে পারবেনা, জঙ্গী হতে পারবেনা এবং সন্ত্রাসও হতে পারবে না। এজন্যই আমাদের সবাইকে এই আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশকে একসাথে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তবেই আমাদের বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী সফল হবে’।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই বলেছেন, ‘আজকে আমার নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশত বার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস। আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে যত বই এবং কবিতা লিখা হয়েছে, পৃথীবির কোনো রাষ্ট্রনায়ক কিংবা বড় নেতাদের নিয়ে এতো বই আর কবিতা লিখা হয়নি! তিনি ছিলেন মহামানব। এই মহানায়কের জন্ম না হলে এই দেশ স্বাধীন হতো না। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা যারা এখন যারা বেঁচে আছি, তারা সৌভাগ্যবান। আমরা বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধকেই নিয়েই বেঁচে আছি’।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বাবু চন্দনশীল বলেন, ‘ ১৯৪৭ সালে যেই পাকিস্তান গঠিত হয়েছিলো, সেখানে বাঙালী জাতিকে নির্যাতন করা হয়েছিলো ও শোষণ করা হয়েছিলো। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম একটি নির্যাতন মুক্ত এবং শোষণ মুক্ত সোঁনার বাংলার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশর। পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন পুরো বাংলাদেশের মানুষকে। তিনি নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। তিনি স্বাধীন করেছিলেন বলেই আমরা আজকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি’।


