নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার আলী আহমদ চুনকা সড়কে যানজট এখন নিত্যদিনের। অথচ এই পথ ধরেই নিয়মিত চলাচল করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। ২ নং রেলগেইট এলাকায় ট্র্যাফিক পুলিশের কার্যক্রম থাকলেও সড়কের ভেতরেই থাকে প্রচন্ড যানজট।
স্থানীয়রা বলছেন, আলী আহমদ চুনকা সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য কাপড় ও হোসিয়ারি কারখানা। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন কাভার্ডভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ পন্য লোড আনলোড করা হয়। এতে করে সংকুচিত হয়ে পরে সড়ক। নিত্যদিন এই কারনে সড়কে যানজট তৈরী হলেও এর সমাধানে যেন কেউ নেই। অথচ নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ন জনপ্রতিনিধিরা এই সড়ক ধরে প্রতিদিন যাতায়াত করেন।
সরজমিনে আলী আহমদ চুনকা সড়কে গিয়ে সত্যতা মেলে কাভার্ডভ্যানে পন্য ওঠানামার অভিযোগ। রাতের বেলা সকল পন্য খালাসের নিয়ম থাকলেও দিনে দুপুরেই চলে পন্য ওঠানামার কাজ। এতে করে সড়ক হয়ে পরে সংকুচিত। মাত্র ২ লেনের রাস্তার মধ্যে একটি লেন পুরোটাই দখল করে নেয়। ফলে একমুখী যানবাহনকে অন্য লেন দিয়ে যেতে হয়। আর এতে করেই তৈরী হয় যানজট।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন এই সড়ক ধরে দুজন জনপ্রতিনিধি যাতায়াত করলেও এই সমস্যা সমাধানে তাদের নেই উদ্যোগ। খোদ ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সামনেই প্রতিদিন পন্য ওঠা নামা হচ্ছে। যানজট দেখেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেন না।
উল্লেখ্য, দিনের বেলা মূল সড়কে গাড়ি পার্কিং করে পন্য ওঠানামায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নির্ধারিত স্থানে গাড়ি রেখে ব্যবসায়ীরা তাদের পন্য খালাস করতে পারবেন। কিন্তু মূল সড়কে তা করলে তৈরী হয় যানজট। এনিয়ে জেলা প্রশাসন ও ট্র্যাফিক বিভাগ একাধিকবার ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করলেও কোনকিছুতেই নির্দেশনা মানছেন না তারা। এমন অবস্থায় পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পথচারী ও যাত্রীরা।


