প্রতিবছর রমজানে শুরুতেই কাচঁবাজারে জিনিসপত্রের দাম উর্ধ্বমুখি থাকলেও এবারে তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। করোনার কারণে বাজারের ক্রেতার সংখ্যা কম হওয়াতে দ্রব্যমূল্য কম বলে জানায় ক্রেতা ও বিক্রেতাগণ। গতকাল শনিবার বিকেলে শহরের মীরজুমলা এলাকায় অবস্থিত দ্বিগুবাবুর বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ধনে পাতা প্রতি কেজি ৩০ টাকা, শসা কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৪০, বেগুন কেজি প্রতি ৪০, গাজর কেজি ৩০ টাকা, লাল শাক কেজি ৩০ টাকা এবং কাঁচা মরিচের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। পেঁয়াজের কেজি আগের মতোই আছে। প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৪ টাকায়, করোলা প্রতি কেজি ৩০ , বড় কচু ৩০, ঢেঁড়শ ৩০ বরবটি ৩০, পটল প্রতি কেজি ৪০ টাকা, পেপে ৩০ থেকে ৩৫ টাক, পুঁই শাক কেজি ২০ টাকা, লতি কেজি ৫০টাকা, লাউ ৫০ থেকে ৬০টাকা, ছোট আকারে মিষ্টি কুমড়া ৩০টাকা বিক্রি হচ্ছে। আদা ৬০টাকা, রসুন ৪০টাকা, ইন্ডিয়ান ডাল ৭৫ থেকে ৮০টাকা, গুড়া মরিচ প্রতি কেজি ৩০০টাকা, হলুদ প্রতি কেজি ২৪০টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এই দিকে বিক্রেতারা জানান আলু দাম আগের থেকে কিছুটা কমে এখন কেজি প্রতি ১৬ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এখন কাঁচাবাজারের মূল্য স্বাভাবিক থাকার বিষয়ে সবজি বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, গতকাল দুইদিন যাবত ক্রেতা কম। আগামীকাল (রোববার) থেকে মার্কেট খুলে দিলে ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে পাড়ে। এই কয়দিন খুব খারাপ অবস্থায় আছি। দোকানের সব কাঁচামাল বেশিক্ষণ রাখা যায় না, নষ্ট হয়ে যায়, তার উপর আবার বিক্রি কম। এই করোনা কবে শেষ হবে আর কবেই একটু লাভের মুখ দেখমু আল্লাহই জানেন।
বন্দর থেকে আসা বিক্রেতা ফিরোজ বলেন, ‘দেশে সাধারণ মানুষের কাছে পয়সা পাতির অভাব, তাই মানুষ কেনা কাটা করতে পারে না। শহরে যে পরিমান লোক আছে তার অর্ধেকও আসে না। সবাই শহর ছেড়ে গ্রামে চলে গেছে। বেচা বিক্রির অবস্থা খুব খারাপ’। এই দিকে কাচাঁবাজারে সাথে সাথে মাছের বাজারেও ক্রেতা কম দেখা যায়। বাজারে মাছের রাজা ইলিশের প্রতি কেজির মূল্য ৯৫০ টাকা। শিং কেজি প্রতি ২৫০ টাকা পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৩০ টাকা সেরপুটি ১৫০ রুই কেজি প্রতি ৩৫০ তেলাপিয়া কেজি প্রতি ১৪০, মূলার কেজি প্রতি ৩৬০ টাকা।


