নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও করোনা যোদ্ধা মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে তুলে নিয়ে বিয়ের চেষ্টা ও তার পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর প্রেস ক্লাবের সামনে সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ও আন্তজার্তিক মানবাধিকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
এসময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আজ আমরা করোনা জয়ী ও করোনা যোদ্ধা ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে তুলে নিয়ে বিয়ের চেষ্টা ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে নিশু ওরফে সাহিদা ওরফে শিউলি ওরফে খুকির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছি। আমরা গত তিন চারদিন আগে জানতে পেলাম যে খোরশেদ ও তার স্ত্রী লাইভে এসে খুব কান্নাকাটি করছিলো, সে লাইভে খোরশেদ বলছিলো একটা মহিলা তাকে বিভিন্নভাবে প্রতারিত করছে এবং হুমকি দিচ্ছে তার পুরো পরিবারকে মেরে ফেলবে। কি কারণে? সেই মহিলা তাকে বিয়ে করতে চায়। ঐ মহিলা দাবী করছে যে, তার সাথে খোরশেদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ফেইসবুকে চ্যাটিং হয়েছে, কথা হয়েছে। সে দাবী করছে তার কাছে অনেক প্রমাণ আছে তাই তাকে বিয়ে করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, খোরশেদ যখন অনিচ্ছা প্রকাশ করে বলে আমি তোমাকে বিয়ে করবো না আমার পরিবার আছে। তখন ঐ মহিলা উপর মহলের র্যাব থেকে শুরু করে বিভিন্ন অফিসে তাকে এবং তার স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে যায়। কমিশনারের স্ত্রী তখন তাদেরকে বলেছে যে আমার স্বামী যদি আপনাকে বিয়ে করে থাকে তাহলে কাবিন দেখান তখন ওই মহিলা কাবিননামা দেখাতে পারেনি। সে কাজী নিয়ে খোরশেদের বাসায় গিয়েছে এবং তার স্ত্রীকে বলেছে আপনি অনুমতি দিন আমি আপনার স্বামীকে বিয়ে করবো। আমাকে প্রয়োজনে সে সপ্তাহে দুই দিন বা দুই ঘন্টা সময় দেবে এরপরও আমি তাকে বিয়ে করবো। একটা নারী কতটা দুশ্চরিত্রা ও নষ্টচরিত্রের হলে এই কথাটা বলতে পারে। আজ তার জন্য আমি একজন নারী হয়ে নিজেকে কংলকিত মনে করছি। যে একটা নারী কিভাবে এমন করতে পারে। ওই নারী লাইভে এসে আরো বলেছে সে নাকি খোরশেদকে দুই আড়াই কোটি টাকা দিয়েছে। সে গ্রæপ অব ইন্ডাষ্ট্রির মালিক এবং বিভিন্ন প্রশাসনের সাথে তার যোগাযোগ আছে। তাকে কেউ কিছুই করতে পারবে না।
এছাড়াও বক্তারা আরো বলেন, আমরা অতি শীঘ্রই দু জনকে এক সাথে করে সাংবাদিক সম্মেলন করবো। সেটা নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে বা রাইফেল ক্লাবে হোক। আমরা মানবাধিকার কর্মী হিসেবে এটার সমাধান চাই। খোরশেদ না ঐ মহিলা কে দোষী সেটা সবার জানা উচিত। এই মানববন্ধন থেকে আমাদের আকুল আবেদন রইলো প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে এর সমাধান করতে হবে।
সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান ও আন্তজার্তিক মানবাধিকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং অপরাধ প্রতিরোধ কল্যাণ সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রেহানা’র সভাপতিত্বে এ মানববন্ধনে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অপরাধ প্রতিরোধ কল্যাণ সংস্থার মমিনুল ইসলাম, সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন এর ভাইস চেয়ারম্যান বাবলী জামান, জেলার সভাপতি জামাল হোসেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চেয়ারম্যান প্রদীপ চন্দ্র ভ্রমন ও জেলার চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।


