দেশব্যাপী চলমান লকডাউনের ন্যায় নারায়ণগঞ্জেও সড়কে গণপরিবহন ছাড়া চলাচল করছে সব ধরনের যানবাহন। গাড়ীর চাপে কিছুক্ষন পর পর সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। এছাড়াও বিভিন্ন অজুহাতে রাস্তায় বের হচ্ছে সাধারন মানুষ, যাদের বেশিরভাগই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দ্বিতীয়ধাপে গত ৫ এপ্রিল থেকে করোনার হটস্পট খ্যাত নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। ওই দিন থেকেই গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে দিন যত যাচ্ছে, সড়কে ততই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে যানবাহন। এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ব্যক্তিগত গাড়ী, সিএনজি, অটোরিকশা, ঠেলাগাড়ী, রিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে বেশী। ফলে সরকার যে উদ্দেশ্যে লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ প্রদান করেছে তার সুফল নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।
বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে চাষাড়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করছিলেন টিআই (প্রশাসন) আবু সাদাৎ মোঃ কামরুল ইসলাম বেগ। দেখা গেছে কিছুক্ষণ পরপরই সড়কে বেধে যাচ্ছিল গাড়ীর জটলা। প্রকট রোদে তা নিয়ন্ত্রন করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুল ইসলাম বেগ বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শহরের বিভিন্ন মার্কেট খোলা রয়েছে। এছাড়াও আজ বৃস্পতিবার তাই গণপরিবহন ছাড়া সকল ধরনের যানবাহনই চলাচল করছে। আমরা যানবাহনসহ সকল সাধারণ মানুষের মুভমেন্ট পাশ চেক করার যথাযথ চেষ্টা করছি। মূলত চাষাড়া থেকে ইউটার্ন নিয়ে শহরে যান চলাচল বেশী করে। তাই মোড়ে ট্রাফিক চাপটা একটু বেশি থাকে। যেসব যানবাহন গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করছে, সেগুলোকে আটকানো হচ্ছে এবং মামলা-জরিমানা করা হচ্ছে।
২নং রেলগেট এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিলেন টিএসআই বেলায়েত হোসেন। তিনি মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহনের লাইসেন্স পরীক্ষাসহ যানজট নিরসন করছিলেন। যেহেতু সড়কে মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল না করলেও কাউকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না।


