ইসদাইর মাওলা আলী (রা:) মসজিদে নামাজ আদায় করবে ৭০০ মুসুল্লি
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২১, ০৭:১৪ পিএম
# মসজিদটি নির্মাণ করছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন
এবার ২৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে মাওলা আলী (রা.) সিটি জামে মসজিদ। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী এই মসজিদটি নির্মাণ করছেন। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১২নং ওয়ার্ডের ইসদাইর এলাকায় ৭ হাজার ২০০ বর্গ ফুটের এই মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে। চার তলা বিশিষ্ট মসজিদটির প্রতি তলার ফ্লোর হবে ১৮০০ বর্গফুটের। তাই মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে এক সঙ্গে ৭০০ মুসুল্লি এই মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
গত ২৭ জুন মসজিদটির নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আকবর কন্সট্রাকশন মসজিদটি নির্মাণ করছে। আগামী দুই বছরের মাঝে এই মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সূত্র। মসজিদটির নির্মাণ কাজ শরু হওয়ার পর ইসদাইর এলাকার সাধারন মুসুল্লীদের মাঝে খুবই ইতিবাঁচক প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন। এই এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, মেয়র আইভী মানেই হলেন উন্নয়ন। তিনি এর আগে মাসদাইর কবরস্থানের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। কবরস্থান ও শ্মশান বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ সহ একাধিক নান্দনিক গেইট নির্মাণ করেছেন। এক কথায় আমাদের শেষ ঠিকানা কবরস্থানে গেলে মন জুরিয়ে যায়।
কারণ সেখানে ঘুমিয়ে আছেন আমাদের পিতা-মাতাসহ সকল স্বজনরা। আমাকেও একদিন যেতে হবে। আগেতো এই কবরস্থানের অনেক কিছুরই ঠিক ছিলোনা। এটা আমাদের সকলেরই শেষ ঠিকানা। আসলেই আইভী দূরদর্শী একজন জনপ্রতিনিধি। তাই তার পক্ষে এই ধরণের উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এছাড়া মেয়র আইভী এই কবরস্থানে একটি সুন্দর মসজিদ নির্মাণ করে দিয়েছেন। এই মসজিদে প্রতি শুক্রবার সারা শহর থেকে বহু মানুষ এসে নামাজ আদায় করছেন। তারা এই মসজিদের নামাজ শেষে নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের জন্য প্রাণ ভরে দোয়া করতে পারছেন এবং নামাজ শেষে কবর জিয়ারত করতে পারছেন। তাই আমরা মনে করি মেয়র আইভী দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য এক সাথে কাজ করছেন। তাই আমরা মেয়র আইভীর দীর্ঘায়ু এবং সাফল্য কামনা করছি।
এদিকে এ বিষয়ে মেয়র আইভীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুগের চিন্তাকে বলেন, আপনারা দেখতে পারছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আওতায় আমি মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান এবং শ্মশানগুলির ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আমি চেষ্ঠা করেছি দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত মানুষকে যাতে কোনো দুর্ভোগ পোহাতে না হয়। আপনারতো জানেন আজকাল এক শ্রেণির মানুষ সুযোগ পেলেই মসজিদ, মন্দির এমন কি কবরস্থানের জায়গাও দখল করা চেষ্ঠা করেন। কিন্তু আমি এমনভাবে কাজ গুলি করে যাওয়ার চেষ্ঠা করছি যাতে আর কোনো দিনই জনগণের এই সকল সম্পদ কেউ দখল করতে না পারে। এক সময় আমি থাকবো না। কিন্তু আমার কাজগুলি থেকে যাবে। আমি সকলের সহযোগী পাচ্ছি। ইসদাইরের মাওলা আলী (রা.) মসজিদটি নির্মাণ হলে ওই এলাকার মানুষ তাদের এবাদত বন্দেগী করার জন্য একটি পরিকল্পিত ও সুন্দর মসজিদ পাবে ইনশাআল্লাহ। আমি সকলের দোয়া কামনা করছি।


