করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশ জুড়ে চলছে কঠোর লকডাউন। লকডাউনের কারনে নগরীর বাজারগুলোতে ক্রেতা কম। বিক্রেতারা জানান, লকডাউনের কারণে বাজারে আগের থেকে ক্রেতা অনেকটা কম, আর ক্রেতা কম থাকা কারণে বিক্রিও কম হচ্ছে। সবজি বিক্রেতা জানান, লকডাউনের কারণে সবজির দাম বাড়ে নাই কমেও নাই। আগের দামেই সবজি বিক্রি হচ্ছে, অনেক সময় ক্রেতা কম থাকলে সবজির দাম কমিয়ে দেই।
মাছ বিক্রেতারা জানান, লকডাউনের কারণে মাছ আনতে পারি না, আবার বাজারে ক্রেতা কম তাই অনেক সময় কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছি মাছ। গত এক সপ্তাহ ধরে মাছের দাম একই রকম চলছে। গতকাল নগরীর পাইকারি দিগুবাবু বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । আলু প্রতি কেজি ২০ টাকা দরে ও ৫ কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । আদাঁ দেশিটা-১১০ টাকা কেজি ও (চায়না) আদা ১৮০ টাকা কেজি , রসুন দেশিটা ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে (চায়না) টা ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কালো বেগুন লম্বা টা ৫০ টাকা ও গোলটা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
টমেটো গত সপ্তাহে ৮০ টাকা বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে ৬০ টাকা কেজি, পেপে গত সপ্তাহে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে ২০ টাকা কেজি , পটল ৪০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাকরল গত সপ্তাহে ৪০ টাকা বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , ঢেড়স গত সপ্তাহে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে ২০ টাকা কেজি , কহি ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শশা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। লেবু ১০ টাকা হালি, গাজর ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্চে। জালি কুমড়া প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টি কোমড়া একটা ৪০ থেকে ৫০ টাকা। জালি কোমড়া প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। লাল শাক ৫০ টাকা কেজি, পুই শাক ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও সয়াবীন- তেল লোজটা ১৩২টাকা লিটার, কোয়ালিটি প্রতি লিটার ১১৮ টাকা। ৫ লিটার সয়াবীন কোম্পানিরটা বিক্রি হচ্ছে ৭১০ টাকা লিটার। চিনি প্রতি কেজি ৭০ টাকা কেজি, ডাল ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি বড় সাইজের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা ও মাঝারি ও ছোট সাইজের ইলিশ গত ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি প্রতি কেজি ৬০০ টাকা , রুই প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস ১২০ টাকা কেজি, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ।
গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি ৮০০ কেজি , বরকীর মাংসের দাম ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি। সোনালী ও লাল লেয়ার মুরগি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। আর পাকিস্তানি মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। দেশি মুরগির ডিম ৬০ টাকা হালি, হাসেঁর ডিম ৫৫ টাকা হালি, লাল বয়লার মুরগির ডিম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।


