Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

শহরের ফুটপাত ফের বেদখল!

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২১, ১০:১৩ পিএম

শহরের ফুটপাত ফের বেদখল!
Swapno

দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। মৃতের সংখ্যা সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের হারও । কঠোর ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ বাস্তবায়নে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ এবং প্রশাসনের পাশাপাশি মাঠে রয়েছে র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।

 

করোনা ভাইরাসের সংক্রমন রোধে গত ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউনে শহরের মার্কেটগুলো বন্ধ থাকার পাশাপাশি ফুটপাতে হকারদের দোকানপাটও বন্ধ ছিলো। কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে আজ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করেছেন সরকার। লকডাউন শিথিল ঘোষণা খবর শোনার পরপরই শহরের ফুটপাথগুলোতে আবারও দোকানপাট বসিয়ে ফের বেদখল করে জমজমাট ব্যবসা শুরু করেছে হকাররা। নেই কোনো স্বাস্থ্যবিধির বালাই। প্রশাসনের পক্ষে থেকেও নেই কোনো নজরদারি।

 

জানা যায়, করোনার ভাইরাসের কারণে গত ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশেই দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জেও দোকানপাট ও বিপণিবিতানগুলো বন্ধ ছিল। সেই সাথে শহরের ফুটপাতগুলোতেও হকারদের ব্যবসাও বন্ধ ছিল। শহরের ফুটপাতগুলোও ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। তবে লকডাউন শিথিলের খবরে মার্কেট খোলার আগেই শহরে ফুটপাতগুলো হকারদের বেদখলে করে ফের জমজমাট হতে শুরু করেছে। ফুটপাত দখলে হকাররা অনেক দিন আগে থেকে ইঁদুর বিড়াল খেলায় মত্ত ছিল। তবে লকডাউনের কারণে সেই খেলা কিছুদিন বন্ধ ছিলো। তবে এবার ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে লকডাউনের মধ্যে নানা কৌশলে ফুটপাতে বসতে শুরু করেছে হকাররা।

 

গতকাল বুধবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহরের চাষাঢ়া মোড় থেকে ২নং রেল গেইট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সড়কের দুইপাশের ফুটপাত হকারদের দখলে রয়েছে। সেই সাথে শহরের কালীরবাজার ও চাড়ারগোপসহ বিভিন্ন জায়গাতেই ফুটপাতগুলো হকাররা দখল করে দোকান সাজিয়ে বসে পড়েছেন। দেখে উপায় নেই শহরের লকডাউন চলছে। এদিকে ফুটপাতগুলো হকারদের দখলে থাকার কারণে লকডাউন চলাকালিন সময়ে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া জনসাধারণকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। তাদেরকে একে অন্যের সাথে শরীর ঘেঁষেই ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

 

ফলে তাদেরকে করোনা ঝুঁকির মধ্যে থেকেই জরুরী কাজকর্ম সম্পন্ন করতে হচ্ছে। বন্দরের আবেদ আলী শহরের এসে ডাক্তার দেখাতে তিনি বলেন, শহরের একি অবস্থা। ফুটপাত দিয়ে হাটা যাচ্ছে না হকারদের কারণে। পুরো ফুটপাত দখল করে রেখেছেন হকাররা। ফলে আমার মতো জরুরি কাজে বের হয়েছেন তাদের করোনা ঝুঁকি নিয়েই ফুটপাত দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। প্রশাসন খালি আমরা যারা জরুরি কাজে শহরে আসি তাদেরকে হয়রানি করে এইসব হকারদের দেখে না। এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ জামান যুগের চিন্তাকে বলেন, লকডাউন তো চলছে হকার তো বসার কথা না। ঠিক আছে আমি বিষয়টি দেখতাছি।


 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন