আইভীর মায়ের মৃত্যুতে কাউন্সিলর এনায়েতের মিলাদ ও দোয়া
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২১, ০৭:৩৩ পিএম
নারায়ণগঞ্জ পৌর পিতা প্রয়াত আলী আহম্মদ চুনকা’র সহধর্মিনী এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর মাতা মমতাজ বেগমের রুহের মাগফেরাত কামনায় নাসিক ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনায়েত হোসেন ও বাদলের আয়োজনে দোয়া, মিলাদ ও কাঙ্গালী ভোজ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ আগষ্ট) বাদ জোহর উত্তর লক্ষণখোলায় উদ্যোগে নাসিক ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনায়েত হোসেন ও বাদলের আয়োজনে দোয়া, মিলাদ ও কাঙ্গালী ভোজ বিতরণ করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের প্রবীন নেতা ইউসুফ, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূণ কবির এলিন, আওয়ামীলীগ নেতা জামান, আক্তার প্রধান, মোফাজ্জল হোসেন জনু, নজরুল, ফারুক, সোহেল. কামরুল, সালাউদ্দিন টিটু, গোলাম সারোয়ার বাদল, মোঃ আসাদুজ্জামান, রাবিব হোসাইন, প্রবীন সাংবাদিক শ্যামল দাস ও ইকবাল হোসেন প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আবু সুফিয়ান বলেন, শোকের মাস আগষ্ট মাস। এই মাসে সর্বকালের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে ছিলাম। যে বঙ্গবন্ধু জন্ম না হলে এই বাংলাদেশ হত না। সেই বঙ্গবন্ধু আদর্শে নারায়ণগ্ঞ্জের আওয়ামীলীগ পতাকা তলে এসে ছিলেন আলী আহাম্মদ চুনকা। তিনি নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান, তাকে সবাই পৌরপিতা হিসেবে সবাই সম্মান দিয়ে থাকেন। তারই সহধর্মিনী মমতাজ বেগম আমাদের মাঝ থেকে চিরবিদায় নিয়ে চলে গেছেন, না ফেরার দেশে। সেই সাহসী নারী প্রয়াত মমতাজ বেগমের সাদাসিধে জীবনযাপনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমার চোখে দেখা তিনি একজন সাহসী নারী ও অসহায় মানুষের বন্ধু। স্বামীকে হারিয়ে একজন বাঙালীর যোগ্য নারী মত ৫ সন্তানকে লালন পালন করে, সু-শিক্ষিত করেছেন। প্রয়াত মমতাজ বেগমের সাহস ছিল চুনকা পরিবারের শক্তি।
সুফিয়ান আরো বলেন, ২০০৩ সালে মা মমতাজ বেগমের ইচ্ছায় নিউজিল্যান্ড থেকে দেশের ফিরেই নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হন তার মেয়ে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। আওয়ামীলীগের ক্রান্তিকালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেই সাহসী মায়ে’র সাহস ও উৎসাহে চেয়ারম্যান আইভী থেকে এখন নাসিক সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় বারের মত মেয়র হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
মমতাজ বেগমের দুই ছেলে রিপন ও উজ্জল বঙ্গবন্ধু আদর্শে আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতি অঙ্গণে ছড়িয়ে দেন। আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতা আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহম্মেদ মত নেতারা চুনকা ভাই বাড়িতে এসে মমতাজ বেগমের হাতের রান্না খেয়েছেন। প্রয়াত মমতাজ বেগমের আচার আচরণ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ সহ এলাকায় প্রশংসা রয়েছেন। অনেক অসহায় পরিবারকে তিনি সহযোগিতা করেছেন। তিনি না পারলেও তার ছেলে মেয়েদের দিয়ে তিনি ওই সব দুঃস্থ পরিবার পাশে দাড়াতে উৎসাহ দিতেন। এমন অভিভাবককে হারিয়ে আমাদের অনেক ক্ষতিসাধণ হয়েছে।


