Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

দিদার বাদ, সেন্ট্রালঘাট সাজনুর  

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২১, ০৫:৪৬ পিএম

দিদার বাদ, সেন্ট্রালঘাট সাজনুর  
Swapno

# ইজারাদার সাবেক কাউন্সিলর মুন্না  


দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ বন্দর সেন্টাল খেয়া ঘাট চালানো দিদার হোসেনের পরিবর্তন ঘটেছে এবার। এ ঘাটের নতুন করে ইজারা নিয়েছে সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না। তবে তার দাবি, ঘাট চালায় শহর যুব লীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু। যিনি ইতিমধ্যে শহরের আরেকটি বড় খেয়াঘাট হাজীগঞ্জ - নবীগঞ্জ ঘাট পরিচালনা করছেন। তবে এই দুইটি খেয়া পারাপারে দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রীদের নানা অভিযোগ রয়েছে।

 

নাগরিক নেতারা বলছেন, বন্দর ঘাটের সাবেক পরিচালনাকারী দিদারের বিরুদ্ধে ছিলো নানা অনিয়মের অভিযোগ তাই সাজনুর উচিত জনস্বার্থে কাজ করা। তিনি যেন খেয়া ব্যবসায়ী না হন। বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল বলেন, ১ জুলাই থেকে ঘাটটি নতুন ভাবে ইজারা নিয়েছে সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুুন্না। তিনি তার লোকবল দিয়ে ঘাটটি পরিচালনা করছেন। তবে মুন্নার দাবি, বন্দর সেন্টাল খেয়াঘাটটি তার নামে ইজারা হলেও ঘাট চালায় শাহাদাৎ হোসেন সাজনু।

 

মুন্না বলেন, ইজারা আমার নামের হলেও ঘাটের সার্বিক বিষয় দেখেন শাহাদাৎ হোসেন সাজনু। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সেলিম ওসমানের সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গেছে সাজনুকে। পাশাপাশি মুন্নাও ছিলেন অনেক জায়গায়। অনুষ্ঠান গুলোতে এমপি সেলিম ওসমান তাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন তাও প্রকাশ পেয়েছে। যা দেখেই বুঝা গেছে এমপির সাথে সাজনুর সর্ম্পক গড়ে উঠেছে। তবে সাজনু মূলত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের ঘনিষ্ট সহচর হিসেবে শহরের বেশি পরিচিত।

 

এরপরও তিনি হঠাৎ করে বিভিন্ন ঘাটের দায়িত্ব নেয়ায় অনেকেই চমকে উঠেছেন। নাগরিক নেতার বলছেন, বন্দর ঘাট চালিয়ে দিদার নামের ওই ব্যক্তি অনেক টাকার মালিক হয়েছেন। শাহাদাৎ হোসেন সাজনু যেন এমনটা না করে। কারণ তিনি শহরের একটি পরিচিত মুখ। তিনি যুব লীগের রাজনীতি করেন। তিনি ঠিকাদারী কাজের সাথেও সম্পৃক্ত তারপরও যেহেতু নবীগঞ্জ ও সেন্ট্রাল খেয়া ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন সেহেতু জনস্বার্থের জন্য কাজ করেন এমনটাই প্রত্যাশা নাগরিক সমাজের। জনস্বার্থের নামে ঘাট পূর্বের ঘাট ব্যবসায়ীদের মতো আচরন করলে নারায়ণগঞ্জের মানুষ তা মেনে নেবে না।

 

খোঁজ নিয়ে যানা গেছে, দিদার ঘাটের চারপাশে দোকনপাট বসিয়ে যেমনি টাকা আয় করতো এখন সাজনুর লোকজনও তাই করছে। এমনকি ঘাটের সামনে রিকশা থামাতে হলে রিকশা চালকদের কাছ থেকে ৫ টাকা করে নেয়া হচ্ছে।   এ বিষয়ে জানতে শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন তার স্বজন অসুস্থ্য তিনি কথা বলতে পারবেন না।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন