নানা অনিয়ম ও অপকর্মে বার বার আলোচিত হয় নারায়ণগঞ্জ। ৭ খুন থেকে শুরু করে গভীর রাতে রিকশা চালককেও হত্যা করা হয়েছে এ জেলায়। অধিকাংশ ঘটনায় অপরাধীরা পালানোর চেষ্টা করেছে। তবে তাদের ধরতে এবার আরও কৌশলী হয়েছে পুলিশ। ঢাকা-চট্রগাম মহাসড়ক, ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ রিংক রোড সহ শহরের চাষাঢ়া বিভিন্ন এলাকা ত্রিশটির অধিক জায়গায় ক্যামেরা লাগিয়েছে পুলিশ। যাতে করে কোথাও অপকর্ম সংগঠিত হলে অপরাধারীর পরিচয় শনাক্ত করা যায়।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমির খসরু যুগের চিন্তাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক ও শহরে মিলিয়ে ৩৬ টি স্থানে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যাতে করে কোন অপরাধী ওই সব এলাকায় অর্পকম সংগঠিত করে পালাতে না পারে। তিনি জানান, অপকর্ম কমাতে পুলিশ নানা কার্যক্রম গ্রহন করেছে তার মধ্যে সিসি ক্যামেরাও একটি। ক্যামেরা গুলো নতুন ভাবে স্থাপনের কারণ হচ্ছে অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহজ কৌশল।
সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া গোলচত্বর ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকার সহ মহাসড়কে মিলিয়ে ১২টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে ছিলো জেলা পুলিশ। তবে ধীরে ধীরে তা অকেজে হয়ে পড়ে। তাই শহীদ মিনারে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটলেও হামলাকারীদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে এসব সিসিটিভির ভূমিকা দৃশ্যমান হচ্ছিল না। শহীদ মিনারে রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানে কবি আরিফ বুলবুলসহ চার সাংস্কৃতিককর্মীর ওপর হামলার পরও সিসিটিভি ক্যামেরা কোন কিছু না পাওয়ায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিলো সুধীমহলে। এছাড়া চাষাড়া সহ লিংক রোড ও মহসড়কে নানা অপকর্ম হয়েছে।


