Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

কথা রেখেছেন আইভী, টেনে ধরেছেন সন্ত্রাসীদের লাগাম

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২১, ০৭:০৭ পিএম

কথা রেখেছেন আইভী, টেনে ধরেছেন সন্ত্রাসীদের লাগাম
Swapno

# গডফাদাররা সন্ত্রাসের আবাদ বন্ধ না করলেও কমেছে সন্ত্রাসীদের আস্ফালন


# মেয়রের বক্তব্যের পর স্তিমিত হয়েছে হোন্ডা বাহিনীর অপতৎপরতা



নারায়ণগঞ্জ শহরের সন্ত্রাসীদের লাগাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভীর হাতে। তিনি সন্ত্রাসীদের লাগাম টেনে ধরে রেখেছেন বলেই পরিস্থিতি অতীতের তুলনায় এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরো আগে থেকেই সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করে এসেছেন।

 

তাই অনেকে মনে করেন, তিনি আছেন বলেই এই শহরে সন্ত্রাসীরা এখন আর লাগামহীন সন্ত্রাস করতে পারে না। মেয়র আইভী কেবল সন্ত্রাসীদের নয় বরং তাদের গডফাদারদেরও লাগাম টেনে ধরেছেন। তিনি নিজে কখনোই কোনো সন্ত্রাসীকে প্রশ্রয় না দিয়ে সব সময় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার থেকেছেন। ফলে আইভী একজন সৎসাহসী মেয়র এবং গণমানুষের নেতা হিসাবে সারা দেশের মানুষের মাঝে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। বিগত সিটি নির্বাচনের আগে তার স্লোগান ছিলো “নেই চিন্তা নেই ভয়, শহর হবে শান্তিময়”। তিনি এই শহরকে শান্তিময় রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যখনই সন্ত্রাসীরা কোথাও থাবা বসানোর চেষ্ঠা করছেন তখনই তিনি প্রতিবাদমূখর হয়ে উঠছেন।

 

ফলে শহরে একটি ব্যালেন্স তৈরী হয়েছে। অন্যথায় আইভী না থাকলে এই শহরে মানুষ বাস করা আরো অনেক বেশি কঠিন হয়ে পরতো বলেই মনে করেন সবাই। তবে ভালো কাজে আইভীকে সহায়তা করছেন এই শহরের বেশ কিছু সাংবাদিক। এই সাংবাদিকরা সকল প্রকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছেন এবং তারা মেয়র আইভীর পাশেও দাঁড়াচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জ শহরবাসী মনে করেন এই শহরের রাজনীতিতে মেয়র আইভীর নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।

 


এদিকে নারায়ণগঞ্জ শহরে যুগ যুগ ধরে একটি পরিবারের হাত ধরে সন্ত্রাসীদের আবাদ চলছেই। তবে এই পরিবারের শেল্টারে থেকে অতীতে যারা সন্ত্রাসের পথে পা বাড়িয়েছিলো তাদের অনেকেকেই করুন পরিনতি বরণ করতে হয়েছে। এদের মাঝে মাকসুদ, টাওয়ার সেলিম, নজরুল ইসলাম সুইট, তোফাজ্জল শিকদার এবং ক্যাঙ্গারু পারভেজকে নির্মম পরিণতি বরণকরতে হয়েছে। তারা অকালেই মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া আরো তিনজন ব্রেইন স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন। এরা হলেন সারোয়ার, লাল এবং নাডা শাহিন। কিন্তু এভাবে অনেকে অকালে ঝড়ে গেলেও বন্ধ নেই সন্ত্রাসের অবাদ। একজন যায় আবার আরেকজনকে তৈরী করে ওই পরিবারের সদস্যরা। তারা সন্ত্রাসের রাজনীতি জারি রাখার কাজে সদা তৎপর রয়েছেন। কিন্তু এই পরিবারের গডফাদারদের বিরুদ্ধে সবসময় স্বোচ্চার রয়েছেন মেয়র আইভী।

 


এদিকে এই পরিবারের বাহিরে গত সতের বছর ধরে নারায়ণগঞ্জ শহরের ভালো রাজনীতিবিদ এবং ভালো মানুষদের সঙ্গে নিয়ে পৃথক বলয় তৈরী করে নেতৃত্বে রয়েছেন মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী। মেয়র আইভী কেবল নারায়ণগঞ্জে নয় বরং সারা বাংলাদেশে একজন পপুলার রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি এই শহরের গণমানুষের নেতা হিসাবে পরিচিত এবং তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও বিশেষ স্নেহধন্য একজন। তাই ওই বিশেষ পরিবারের পালিত সন্ত্রাসীরা যখন বেপরোয়া হয়ে উঠেন তখন তাদের লাগাম টানার জন্য তৎপর হয়ে উঠেন মেয়র আইভী। বিগত নির্বাচনে মেয়র আইভীর অন্যতম একটি প্রতিশ্রুতি ছিলো এই নারায়ণগঞ্জ শহরকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখা। তিনি চেষ্ঠা করে যাচ্ছেন। সর্বশেষ হোন্ডা বাহিনীর তৎপরতা নিয়েও মুখ খুলেছেন মেয়র।

 

তিনি বলেছেন এখনই যদি হোন্ডা বাহিনীর লাগাম টেনে ধরা না হয় তাহলে জনগণ তাদের ধরে গণপিটুনি দেবে। মেয়রের এই বক্তব্যের পর নারায়ণগঞ্জের সর্বত্র পাড়া মহল্লায় যারা সন্ত্রাসীদের ভয় পেতে শুরু করেছিলো তারা আবার সাহসী হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে হোন্ডা বাহিনীর তৎপরতা অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পরেছে। সাধারণ মানুষের মাঝে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ এখন আর আগের মতো সন্ত্রাসীদের ভয় পান না। আর সাধারণ মানুষের এই সাহসের মূল শক্তি হলেন মেয়র আইভী। তাই আগামী দিনেও মেয়র আইভীকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের মানুষ। সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাস করলেই এই কথার সত্যতা পাওয়া যায়।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন