Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে পূজার কেনাকাটা

Icon

মেহেদী হাসান

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৮ পিএম

মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে পূজার কেনাকাটা
Swapno

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। ১১ অক্টোবর সোমবার ষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু এবারের দুর্গোৎসব। তাইতো প্রতিমা সাজানোর পাশাপাশি এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নগরীর মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে কেনাকাটা।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর চাষাঢ়া, কালীবাজার, উকিলপাড়া, ডি.আই.টিসহ বিভিন্ন এলাকার ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটগুলো সেজেছে পূজোর পোশাকে। উৎসবের রঙ লাল-সাদাকে প্রধান্য দিয়ে বাহারী ডিজাইনের পোশাক কিনতে মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন সব বয়সী মানুষ। অনেকে নিজের পছন্দের পোশাক কেনার পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদের কথা চিন্তা করে কেনাকাটা করছেন।

 

এদিকে পূজা উপলক্ষে কাপড়ের মার্কেট ও শোরুমগুলোতে মেয়েদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রংয়ের থ্রী- পিস, জামদানি শাড়ি, কাতান শাড়ি, তাঁত শাড়ি, বেনারশি শাড়ি, লেহেঙ্গা ও ওড়না। ছেলেদের জন্যে রয়েছে বাহারি সব ডিজাইনের ধুতি, শর্ট পাঞ্জাবি, শার্ট, টি- শার্ট, প্যান্ট ও লুঙ্গি। তাছাড়াও জুতার দোকানগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন রকমের জুতা।

 


এ দিকে বিক্রেতারা জানান, এবার পূজা উপলক্ষে ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটগুলোতে বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি উঠেছে। সকাল থেকে ভালই বিক্রি হচ্ছে। এবার পূজায় শাড়ি, থ্রী-পিচ ও কাটা থ্রী-পিচ বিক্রি ভালই যাচ্ছে। জামদানি ও কাতান শাড়ির চাহিদা বেশি। কাতান শাড়ি ৬০০টাকা থেকে শুরু করে ১৫০০ ও ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। জামদানি শাড়ি ১ হাজার টাকা থেকে শুরু ২৫০০ ও ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি, তাঁত শাড়ি ৪০০ থেকে ১২০০ ও ১৫০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, বেনারশি ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি ও লেহেঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে শুরু করে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পূজোতে লুঙ্গি বিক্রি একটু বেশি হয়। প্রতি লুঙ্গি ২৫০ থেকে শুরু করে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে ও শিশুদের পোশাকের বিক্রি ও বেশি।

 

কেনাকাটা করতে আসা প্রিয়ংতী দে নামে একজন ক্রেতা জানান,পূজার শাড়ি মানেই লাল পাড়ে সাদা শাড়ি দশমীর জন্য। অষ্টমীর দিন আমি মূলত শাড়ি পড়ি। আবার রাতে পুজা দেখতে বের হই গর্জিয়াস কোনো পোশাকে। তিনি আরও বলেন, মা, শাশুড়ি ও বাসার ছোট সবার জন্যই কেনাকাটা করেছি আর আমার ছোট মামুনি ষষ্ঠী থেকে দশমী পূজা পর্যন্ত প্রতিদিনই কোন পোশাকে সাজবে তার জন্যও বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক কেনাকাটা করছি।

 

এদিকে, বাপ্পী দে নামে একজন্য ক্রেতা জানান, বাসা থেকে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে মার্কেটে এসেছি পূজোর কেনাকাটা করতে। বিভিন্ন মার্কেটেই ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করছি। মেয়ের জন্য কেনাকাটা শেষ এখন স্ত্রী ও মা জন্য শাড়ি কিনব ও নিজের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট, টি- শার্ন্ট  ও প্যান্ট কিনব।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন