ত্বকী হত্যার ১০৩ মাস উপলক্ষে আলোক প্রজ্বালন
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২১, ০৯:১৮ পিএম
তানভীর মুহাম্মতদ ত্বকী হত্যার ১০৩ মাস উপলক্ষে আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তন প্রাঙ্গণে এই আয়োজন করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ভবানী শংকর রায়ের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, উদীচী’র নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি জাহিদুল হক দীপু, সামাজিক সংগঠন সমমনার সভাপতি দুলাল সাহা, ন্যাপ জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. আওলাদ হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনি সুপান্থ, সামাজিক সংগঠন বাতায়নের সংগঠক মাইনুদ্দিন মানিক, সিপিবি শহর সম্পাদক সুজয রায় চৌধুরী বিকু, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জেলা সম্পাদক প্রদীপ সরকার প্রমূখ।
কর্মসূচিতে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক এবং নিহত ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দু’দিন আগে বললেন, বিচারের বাণী যেন আর নিরবে নিভৃতে না কাঁদে- অথচ সাড়ে আট বছর ধরে ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন হলে একটি হত্যার বিচারের অভিযোগ তৈরী হয়েও তা সাড়ে আট বছর আটকে থাকে না। আমরা সংবিধানে উল্লেখিত জনগণের অধিকারগুলোর বাস্তবায়ন চাই। স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার, বিচার পাওয়ার অধিকার, ভোট দেয়ার অধিকার, মানবিক মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার চাই। স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা চাই।
ভবানী শংকর রায বলেন, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীকে হত্যা করে ঘাতকরা লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দিলে এর দুইদিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে আমরা ত্বকীর লাশ উদ্ধার করি। এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে বিচারের দাবিতে প্রতি মাসের ৮ তারিখে আমরা নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করে আসছি। সরকারের বৈষম্যমূলক বিচার ব্যবস্থার কারণে এ দীর্ঘ সময়েও এ হত্যার বিচার হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরীর শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দু’দিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।


