শীতের শাক সবজিতে বাজার ভরপুর দাম চড়া
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২১, ০৪:১৭ পিএম
নগরীতে কিছুটা ঠাণ্ডা আবহাওয়া প্রমাণ দিচ্ছে শীতের উপস্থিতি। তাই বাজারেও আসছে শুরু করেছে শীতের শাক-সবজি। কিন্তু দাম বেশ চড়া। তবে সরবরাহ ভাল থাকলেও বছর জুড়ে বেশী দামেই বিক্রি হয় সব ধরনের শাক-সবজি এমনটাই জানিয়েছেন ক্রেতারা। বাজারে এখনই শীতের শাক-সবজিতে ভরপুর।
পালং শাক, লাল শাক, সরিষা শাক, মুলা শাক, পুঁই শাক, লাউ শাকসহ বেগুন, মুলা, লাউ, শিম, টমেটো, গাজর, বাঁধাকপি, ফুলকপিসহ শীতের কোন সবজির কমতি নেই। অন্যদিকে নিধেধাজ্ঞা তুলে নিলেও বাজারে ইলিশের সরবরাহ খুবই কম। তাই চাহিদা বেড়েছে অন্যান্য মাছের। গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাজার ঘুরে দেখাগেছে, প্রতি কেজি পালং শাক বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, লালশাক ৪০-৫০, পুঁইশাক ৪০, লাউশাক মোটা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। একটি ফুলকপি কিনতে হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়, বাঁধাকপির দাম একই অবস্থা। টমেটো ১৪০-১৫০, গুল বেগুন ৮০, উস্তা, ৬০-৮০, মাজারি লাউ ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়স, ঝিঙা, পটল, কচুরলতি, কচুরগাটি কিছুটা সিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৬০ টাকা, করোলা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, চাল কুমরা পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কাকরোল ৬০ টাকা ও পেঁপের কেজি ২০ টাকা। দাম কম। তবে সবজির মধ্যে মুলাও পেঁপের দাম সবচে কম।
অন্যদিকে প্রতি কেজি কাঁচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষ করা কৈ ১৫০ থেকে ২০০, মাজারী সাইজের চিংড়ি ১০০০ থেকে ১২০০, শিং ৫০০ থেকে ৬০০, পুঁটি ৩০০ থেকে ৩৫০, বড় সাইজের শোল ৮০০ থেকে ১০০০, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৩০, বোয়াল ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকা, ইলিশ ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাতলা সহ অন্যান্য মাছের দাম কিছুটা কমতির দিকে। তবে পূর্বের চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস ৬০০ টাকা কেজি। আর খাশির মাসং বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা ও ছাগলের মাসং বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে।


