আগামী ১৬ই জানুয়ারী হতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ওয়ার্ডেই চলছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারনা। প্রতিদিনই প্রার্থীরা ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের ঘরে ঘরে। ভোটারদের দিচ্ছে সালাম, ভালবাসা ও ভাল আশ্বাস। তারই ধারাবাহিকতায় নাসিক ১৮ নং ওয়ার্ডে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন কাউন্সিলর প্রার্থীদের।
নারায়ণগঞ্জ শহরের দক্ষিণ প্রান্তে হচ্ছে নাসিক ১৮নং ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডটিতে রয়েছে দেশের বৃহত্তম পাইকারী বাজার নিতাইগঞ্জ। প্রতিদিনই এই নিতাইগঞ্জে কোটি কোটি টাকার পণ ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। নাসিক ১৮নং ওয়ার্ডটি নিতাইগঞ্জ ব্যবসায়ীক এলাকার আওতায় থাকায় এই ওয়ার্ডে সকলেই জনপ্রতিনিধি হবার স্বপ্ন দেখে,এর কারণ এই ওয়ার্ডটিতে যেই জনপ্রতিনিধি হয় সেই ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসহারা পায়।
তাছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের চাদাঁবাজি। বর্তমানে নাসিক ২০২২ নির্বাচনে মোট ৬ জন প্রার্থীর নাম শুনা যাচ্ছে এই ওয়ার্ডে। তাদের মধ্যে ৩ জনই প্রতিদিন ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর কবির হোসাইন, সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না ও মাকসুদুর রহমান জাবেদ।
এদিকে এই ওয়ার্ডে স্থানীয় এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই ওয়ার্ডে কোন যোগ্য প্রার্থী নেই। তারা যে কয়জন নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় নেমেছেন সবাই তাদের পকেট ভারী করার জন।গত দুই বার মুন্না এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ছিল সে এই ওয়ার্ডে তেমন কোন উন্নয় করতে পারে নি। তারপরে ২০১৬ নির্বাচনে কবির হোসাইন ও নির্বাচিত হয় মুন্নাকে পারাজিত করে।
সে ও মুন্নার মত কিছু করতে পারেনি। তাছাড়া কবিরের আমলে এই ৫ বছরে ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসা বেড়ে গেছে। তিনি (কবির) বক্তব্য বলেন, এই ওয়ার্ড থেকে মাদক নির্মন করব বরং তার আপন ভাই মাদক ব্যবসার সাথে জরিত। তার মেজো ভাই ওয়াজেদউল্লাহ মাদক সেবন করেন। তার ঘরের মধ্যেই যদি মাদক সেবন কারী থাকে তাহলে তাহলে সে ওয়ার্ড থেকে মাদক মুক্ত কি ভাবে করবেন।
এলাকাবাসীরা আরও জানান, গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় বহিরাগত লোক এনে মিছিল মিটিং করছেন মুন্না, কবির ও জাবেদ। তারা এলাকার লোকদের বুঝাতে চাচ্ছে তাদের অনেক জনপ্রিয়তা। মুন্নার মিছিলে বহিরাগত ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগ, কবিরে মিছিলেও বহিরাগত অনেক লোক, এদের মধ্যে রিকশা চালক ও ইজিবাইক চালক বেশি। এছাড়াও জাবেদ এর মিছিলে ইয়াবা বিক্রয় কারী ও মাদক সেবী ছেলের সংখ্যা বেশি। অনেকেই জানান জাবেদ ভাড়া করে লোক নিয়ে আসে ও বিরিয়ানি পুটরা নিয়ে লোক জরো করে।তাদের এই তিন জনের মিছিল মিটিং এ তিন ভাগের ১ ভাগ থাকে ভোটার আর বাকি সব বহিরাগত।


