Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

‘নাসিক নির্বাচন জনগণ ভার্সেস একনায়কতন্ত্র’

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৪৫ পিএম

‘নাসিক নির্বাচন জনগণ ভার্সেস একনায়কতন্ত্র’

গতকাল বিকাল বন্দরের কদমরসুল দরগা জিয়ারত করতে যান স্বতন্ত্র প্রার্থী এড. তৈমূর আলম খন্দকার। তাকে সমর্থন জানান সাবেক সাংসদ এসএম আকরাম।

Swapno

# নৌকা কোন ফ্যাক্ট হবে না। জনগণের চাহিদাই চাহিদা।
# নাগরিক ঐক্য গঠিত হচ্ছে তার প্রতিচ্ছবি আজকে দেখলেন।


নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, নাসিক নির্বাচন জনগণ ভার্সেস এক নায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন। এই নির্বাচনটা হচ্ছে একদিকে জনগণ, আরেক দিকে এক নায়কতন্ত্র। এই এক নায়কতন্ত্রের অবসান মানুষ চায়, মানুষ পরিবর্তন চায়। মানুষ করের বোঝা ও ট্যাক্সের বোঝা থেকে বাচঁতে চায়। মানুষ নাগরিক অধিকার সম্পন্ন একটি সিটি কর্পোরেশন চায়।  

 

গতকাল বিকাল বন্দরের কদমরসুল দরগা জিয়ারত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা ও আওয়ামীলীগের সাবেক সাংসদ এসএম আকরাম, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, যুগ্ম সম্পাদক আবদুস সবুর খান সেন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক। বিএনপি চেয়ারপরসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা তৈমূর বলেন, নৌকা কোন ফ্যাক্ট হবে না। জনগণের চাহিদাই চাহিদা। জনগণের চাহিদা তৈমূর আলম খন্দকার। জীবনভর জনগণের পক্ষে ছিলাম। আমার কোন গণবিরোধী ভূমিকা নাই। জনগণের স্বার্থে জীবন ভর কাজ করেছি।

 

তিনি আরো বলেন, জাতীয় রাজনীতি এক প্রেক্ষাপট আর নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি আরেক প্রেক্ষাপট। আমি নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের, সর্ব রাজনৈতিক দলের, সকল জনগণের চাহিদার প্রতিনিধি। তাদের চাহিদার কারণে আমাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হয়েছে। বিএনপি, আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের সমর্থকেরা আমার সাথে আছে। এটা সময় বলে দিবে এবং দেখতেও পারবেন। তবে এবার আমি এমন অবস্থান থেকে নির্বাচন করছি যে, আমার নিয়ন্ত্রণ আমার কাছে এবং নারায়ণগঞ্জের জনগণের কাছে। নারায়ণগঞ্জের জনগণই আমাকে নিয়ন্ত্রণ করবে। কোন রাজনৈতিক দল না।’ তৈমূর বলেন, বিএনপি থেকে ৪জন ছিল যারা নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে আমার পাশে আছে। এখন আমি একজন প্রার্থী। অবশ্যই এখনে একটা নিয়ন্ত্রণ আছে।

 

তিনি বলেন,‘সরকারি আমলারা সব সময় সরকারি প্রার্থীর পক্ষে থাকে। নৌকাকে আমলারা, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ তার নিজস্ব মার্কা হিসেবে গণ্য করে। আজকে নৌকার প্রার্থী অনেক জায়গায় আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছে। আমরা ১৬ ডিসেম্বর বিশ হাজার লোকের একটি মিছিল করেছি। এটা বিজয় দিবসের। আমি একটা দলের কর্মী, রাজনৈতিক কর্মী, মুক্তিযুদ্ধ দলের কর্মী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কণ্ঠেই মানুষ শুনেছে আমরা স্বাধীন। ২০ হাজার লোক সমবেত হয়েছে কিন্তু আমি যে আয়োজন করলাম আমাকে নির্বাচন অফিস থেকে টেলিফোনে বলা হলো আপনি যাবেন না। আপনার আচরণ বিধি লঙ্ঘন হবে। তারপরও আমি নির্বাচন অফিসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি এ মিছিলে যাই নাই। পরবর্তীতে আমি নির্বার্চন অফিসারকে বলেছি আমি তো যাইনি। আপনার কথা শুনেছি। কিন্তু সরকারি দলের প্রার্থীতো নিজে মিছিল করেছে। আচরণ বিধি তো সে লঙ্ঘন করেছে আপনারা ব্যবস্থা নিন। তিনি বলছেন, আমি ব্যাপারটা দেখছি। আপনাকে জানাবো। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জানায়নি।

 

’ তিনি আরও বলেন,‘নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হচ্ছে জনগণের বিপরীতে সরকারি মার্কা। এখানে যদি নূন্যতম কারসাজি যদি কেউ করে, কি নির্বাচন কমিশন, কি প্রশাসন বা অন্য কেউ করে। তবে জনগনের পক্ষ থেকে এখানে ভয়াবহ পরিনতি হবে। তবে আমি কথা দিচ্ছি আমার পক্ষ থেকে আচরণ বিধি লঙ্ঘন হবে না। তবে তারা যদি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে আর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা যদি নিরপেক্ষ না থাকে তাবে এর কৈফিয়ত তাদের অবশ্যই দিতে হবে।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নাগরিক ঐক্য গঠিত হচ্ছে তার প্রতিচ্ছবি আজকে দেখলেন। গঠিত এই নাগরিক ঐক্য কমিটি নির্বাচন পরিচালনা করবেন।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন