Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

হাজীগঞ্জে থেকে ওয়াপদাপুল বেড়েছে চুরি ও ছিনতাই

Icon

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:২৮ পিএম

হাজীগঞ্জে থেকে ওয়াপদাপুল বেড়েছে চুরি ও ছিনতাই
Swapno

হাজীগঞ্জে বাজার থেকে ওয়াপদাপুলসহ ফতুল্লা ৮নং ইউনিয়ন পরিষদের অনেক এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে চুরি ও ছিনতাই বেড়ে গেছে। সাধারন মানুষ বিষয়টি নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছেন। হাজীগঞ্জে’র এই সড়কে বেশীর ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান গরে উঠেছে। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় শত শত শ্রমিকের এখানে আসা-যাওয়া। শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা  গেছে,একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাতের বেলায় চুরি ও দিনের বেলায় সুযোগে ছিনতাই করে বেড়াচ্ছে। ইদানীং শীত আর কুয়াশা বেড়ে যাওয়ায় এর সুযোগ নিচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, এসব এলাকায় গৃহস্থলির কোন জিনিসপত্র বাইরে রাখলেই চুরি হয়ে যাচ্ছে। এমনকি রান্নাঘরের হাড়িপাতিলসহ গ্যাসের চুলা সহকারে নিয়ে যাচ্ছে তারা। নিরাপত্তা প্রহরীদের চোখকে ফাঁকিদিয়ে দুর্বৃত্তরা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মুল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। হাজীগঞ্জ, পেপারমিল, ওয়াপদাপুল, গুপ্তা, আদর্শ কলোনীসহ আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক হারে বেড়েছে এসব চুরি ও ছিনতায়ের ঘটনা। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সুযোগ পেলেই টাকা মোবাইলসহ দামী জিনিষপত্র ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব ঘটনা বেশীর ভাগ সন্ধ্যার পর ঘটছে।  

ভূক্তভোগীরা জানিয়েছেন, হাজীগঞ্জের অলিগলি থেকে ওয়াপদাপুল পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্পট দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা। যারা চুরি করছে তারাই আবার ছিনতাই করছে। ছিনতাইকারীদের বেপরোয়া তৎপররতার কারণে অনেকটা নিরুপায় হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।


হাজীগঞ্জ পেপারমিল এলকার বাসিন্দা গৃহিনী মাসুদা বেগম জানান, তার রান্না ঘর থেকে গ্যাস এর চুলা চুরি হয়ে গেছে। ভোরে যখন তার বাড়ির ভাড়াটিয়া রান্নার প্রস্তুতী নিচ্ছিলেন তখন দেখতে পান চুলা নাই। ইতিপূর্বে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। কারো বাড়ির চুলা কারো বাড়ির পানির ড্রামসহ মুল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছে চোর।


ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার হাজী নাজমুল হোসাইন সবুজ জানান, চুরির ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ছিনতাইয়ের বিষয়টি জানি না। বিট পুলিশকে এই ব্যাপারে অবগত করা হবে। না হলে ফতুল্লা থানায় জানিয়ে টহল পুলিশ বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হবে। এলাকাবাসী যাতে শান্তিতে থাকতে পারে। আর সবাইকে সতর্কও থাকতে হবে। যে কোন জিনিষপত্র বাহিরে না রেখে নিজের জিম্মায় রাখতে হবে।  

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন