বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এ দেশ আরো আগেই উন্নত দেশ হত : ডিসি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৩৫ পিএম
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মঞ্জরুল হাফিজ বলেছেন, আজকে বঙ্গবন্ধুর পরিবার বেঁচে থাকলে হয়ত এই দেশ আরও অনেক আগেই এগিয়ে যেত। আরো অনেক আগেই এই দেশ উন্নত দেশ হত। আজকে মুক্তিযোদ্ধারা ২০ হাজার টাকা ভাতা পায়। হয়ত আরো আগেই এই ভাতা বিশ হাজার টাকা হত। বঙ্গবন্ধুর হত্যার মাধ্যমে আমাদের দেশের যে ক্ষতি হয়েছে আমরা তার বিচার পাইনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ মর্গ্যান স্কুল এন্ড কলেজে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন ছিল এই দেশের জন্য যুদ্ধ করবো। কিন্তু তখন আমার জন্ম হয়নি। আমার বাবা যুদ্ধ করেছেন, আমার দাদা যুদ্ধ করেছেন। আমি ভাগ্যবান কারণ আমি স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিতে পেরেছি। আমার বাবা ও দাদা স্বাধীন দেশে জন্ম নিতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার কন্যা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আপনারা জানেন তার প্রকল্পগুলোর কথা। তিনি ঘোষণা করেছেন দেশে একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। আপনারা প্রতিঘরে বিদ্যুতের কথা শুনেছেন। বিভিন্ন ভাতা, কমিউনিটি ক্লিনিক সহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ তিনি করে যাচ্ছেন। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্নফূলি টানেলসহ কত মেগা প্রকল্প তিনি হাতে নিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন আমরা এ দেশ উন্নত দেশ হিসেবে দেখে যেতে পারব তা আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। দেওভোগের মর্গ্যান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক), বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের নর্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এসএম মাহমুদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার নুরুল হুদা। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপু, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহসান হাবীব, সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম আরাফাত প্রমুখ। এই সময় জেলার ১৬১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্বরূপ ১০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।


