Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

কাউকে আসতে দেইনি তবুও করোনা হানা দিয়েছে : সেলিম ওসমান

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৩২ এএম

কাউকে আসতে দেইনি তবুও করোনা হানা দিয়েছে : সেলিম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডের কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) ভ্রাম্যমাণ টিকা কার্যক্রম এর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি আলহাজ্ব এ.কে.এম সেলিম ওসমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ, সিভিল সার্জন এএফএম মশিউর রহমান, কাউন্স

Swapno

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বলেছেন, আপনাদের এলাকা এমন এলাকা, দেশের এমন কোন জায়গা নেই যেখান থেকে লোক আসেনা এখানে। সুতরাং এই এলাকাটা ঝুঁকিপূর্ণ। আপনাদের আমি বলেছিলাম যে মাস্ক পড়বে না তার কাছে সদাই বিক্রি করবেন না। আপনারা প্রতিটা দোকান যদি এই উদ্যোগ নেন যে আমরা মাস্ক ছাড়া পন্য বিক্রি করবো না, তাহলে সকলেই সুরক্ষিত থাকতে পারবো।  

 

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নাসিক ১৮ নং ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমান টিকা কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা বলেন সেলিম ওসমান। তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন আমাদের জেলা প্রশাসক ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমান টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। আজকে আমরা সৌভাগ্যবান আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। আমরা যখন টিকার কথা চিন্তা করিনি তখন তিনি টিকা কেনার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। আমরা প্রথম অবস্থায় ভারত থেকা টিকা নিয়েছিলাম। ভারতে করোনা বেড়ে যাওয়ায় আমাদের দ্বিতীয় দফার টিকাটা আসতে দেরি হয়ে গেছে। যার কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।  তিনি আরও বলেন, আমরা নিজেদের দুই ভাবে সেফ করতে পারি।

 

একটা হচ্ছে আমাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে, আরেকটা হল আমাকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং টিকা নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আমার মত সাবধানতা কেউ অবলম্বন করেনি। আমার বাড়িতে কেউ ঢুকতে পারত না। আত্মীয়দের ফোন করে মানা করে দিয়েছিলাম আসতে। নিচে থেকে কেউ উপরে উঠতে পারবে না। তারপরেও আমার বাসায় পাঁচ বছর থেকে শুরু করে চল্লিশ বছর পর্যন্ত ছয়জন করোনা আক্রান্ত। এটা কীভাবে আসে আমরা খুঁজে বের করতে পারছি না। এটা হয় সামনা সামনি আসে নয়ত কোন প্যাকেটের মাধ্যমে। আমার বাড়িতে আমি শিওর হয়েছি এটা প্যাকেটে এসেছে। এছাড়া বড় কোন অনিয়ম আমার বাড়িতে হয়নি। সুতরাং শাক সবজি যাই নেন সরাসরি ঘরে নিয়েন না।

 

করোনা যখন ছিল তখন মানুষের কী অবস্থা হয়েছিল আমরা জানি। মানুষের ঘরে চাল ছিল না। আমরা চেষ্টা করেছি যেন খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা বাড়ি বাড়ি চাল ডাল ও নগদ টাকাও পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমাদের অবস্থা যদি আমরা ভাল রাখতে চাই তাহলে সকলকে সাবধান হতে হবে।  তিনি বলেন, আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে আলোচনায় যখন সিদ্ধান্ত হল এভাবে এলাকা এলাকায় টকা দেয়া হবে তখন সাথে সাথে মুন্না এটা ছিনিয়ে নিয়ে বলল প্রথমে এটা আমার এলাকায় ব্যবস্থা করেন। অনেকে এটা পারেননি। আপনাদের কাছে অনুরোধ মুন্নার এলাকা যেন প্রথম ঘোষণা দিতে পারি এলাকায় টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে।

 

সকলে এখানে টিকা নিয়েছেন এটা আমরা শুনতে চাই। পাশাপাশি চল্লিশ বছরের ঊর্ধ্বে যারা তারা অতিশিগ্রই তৃতীয় ডোজ নিবেন। এ রোগটায় যার টাকা খরচ করার ক্ষমতা আছে সে হয়ত বেঁচে যাবে কিন্তু একটা চল্লিশ বছরের লোকের জন্য এটা এখনও ঝুকিপূর্ণ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ, সিভিল সার্জন এএফএম মশিউর রহমান, কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, না.গঞ্জ আটা ময়দা মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন ও গম চাউল আড়ৎদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম প্রমুখ।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন