Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

ভুঁইঘরে হাদিছা কার হাটের প্রতারণা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১০:০৬ এএম

ভুঁইঘরে হাদিছা কার হাটের প্রতারণা
Swapno

ফতুল্লার ভুঁইঘর এলাকায় হাদিছা কার হাট ও হাদিছা এন্টারপ্রাইজের মালিক পক্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রাইভেট কার বিক্রেতাদের আকৃষ্ট করে থাকে। পুরাতন গাড়ির মালিকরা   হাদিছাকার হাটের মালিক বকুল হোসেনের মিষ্টি কথায় তাদের নিজের গাড়িটি বাকিতে তাকে দিয়ে আসে। গাড়ি বিক্রি করার পর গাড়ির মালিকদের টাকা দিতে হাদিছার মালিকপক্ষ গড়িমসি তথা নানা ধরনের হুমকি দিয়ে থাকে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

 

এমনই একজন ভুক্তভোগী গাড়ির মালিক আমিনুল বাশার। এক বছরের বেশি সময় ধরে আমিনুলকে বাশারকে টাকা দিতে গড়িমসি করছে হাদিছা কার হাটের কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার গতকাল আমিনুল বাশার বাদী হয়ে হাদিছা কার হাট ও হাদিছা এন্টার প্রাইজের মালিক বকুল হোসেন (৪৩)সহ আরো ৩জনকে আসামী করে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। বলে জানা গেছে।


সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবে অভিনব কায়দায় বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে ফতুল্লার ভুইঘর এলাকার হাদিছা কার হাট ও হাদিছা এন্টার প্রাইজ এর মালিক পক্ষ। এ প্রতিষ্ঠানের মালিক বকুল হোসেন। হাদিছা কার থেকে গাড়ি কিনে অনেকে প্রতারিতও হয়েছেন। তবে যারা নিজের পুরাতন গাড়িটি হাদিছা কার হাটের মালিক পক্ষকে বিক্রি করতে দেন তারা বেশি প্রতারণার শিকার হন বলে অভিযোগ। এমনই একজন ব্যাক্তি হলেন, ডিএমপির  ওয়ারি থানা এলাকার আমিনুল বাশার।

 

প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় আগে হাদিছা কার হাটে তিনি হুন্ডাই এইচ-১ মাইক্রোবাস এবং আরো একটি গাড়ি হাদিছা কার হাটের মালিক বকুল হোসেনের কাছে বিক্রি করতে দেন।  গাড়ি দুটি বিক্রি করে দেয়ার সময় হাদিছার মালিক পক্ষ তাকে নগদ ৪ লাখ টাকা প্রদান করেন। বাকি থাকে আরো ৪০ লাখ টাকার বেশি টাক।  বাকি টাকার জন্য আমিনুল বাশারকে এনএরবিসি ব্যাংকের ৩টি  চেক প্রদান করেন বকুল। এরই মধ্যে আমিনুলের ২টি গাড়ি বিক্রি হয়ে যায়। কিন্তু অদ্যাবধি হাদিছা কার হাটের মালিক পক্ষ আমিনুল বাশারের পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি। চেক ৩টি ব্যাংকে ভাঙ্গাতে গেলে ব্যাংকে হাদিছার মালিকের কোনো টাকা নেই বলে চেকধারীকে জানিয়ে দেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে গত ৩  ফেব্রুয়ারী আমিনুল পাওনা টাকার জন্য হাদিছা কার হাটে গেলে তার উপর প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ চড়াও হয় এবং তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেন।  এব্যাপারে আমিনুল বাশার ফতুল্লা মডেল থানার একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।


একটি সূত্র জানায়, হাদিছা কারের বিরুদ্ধে প্রতি মাসেই ফতুল্লা মডেল থানায় ২/৪টি জিডি বা অভিযোগ ভুক্তভোগীরা করে থাকেন। তবে মালিক পক্ষকে এখনো আইনের আওতায় আনা হয়নি। এছাড়াও আরো একটি সূত্র জানায়, হাদিছা কার অল্প টাকায় যে গাড়িগুলো বিক্রির অফার দিয়ে থাকে তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে অনেকের। দেশে বিভিন্ন পুরাতন গাড়ি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান চোরাই গাড়ি ক্রয় করে তা ডেন্টিং প্যাইন্টিং করে বিক্রি করে অনেক প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয় বিআরটি’র অসাধু কিছু কর্মচারীর যোগসাজসে ঐ সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো মালিকদের রেজিষ্ট্রেশনও করে দেয় বলে একটি সূত্রের দাবী।


এব্যাপারে হাদিছা কার হাটের মালিক বকুল হোসেনের মোবাইলে একাধিক যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তার মোবাইল ফোনটি রিসিভ করেননি।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন