চটপটি কবিরের চাঁদাবাজি ও নির্যাতন থেকে মুক্তি চান হকাররা
পরিচয় প্রকাশ গুপ্ত
প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:৫৯ পিএম
চাষাঢ়া লুৎফা টাওয়ার মার্কেট গলির ৩৫ জন হকার বহিরাগত চটপটি কবিরের শোষন ও নির্যাতনের অবসান চায়। হকারদের অভিযোগ, এমনিতে নানা ছুতোয় চটপটি কবির তাদের থেকে প্রতিদিন চাঁদাতো নেয়ই, তারপরও রাতের বেলা তাদেরকে আবার শ্রমিকের মতো খাটায়। তাদের দিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ইট-বালি টানায়। কিন্তু কোন মজুরি দেয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লুৎফা টাওয়ার মার্কেট গলির ফুটপাতে মোট ৩৫ জন হকার ব্যবসা করেন। এদের নেতা চটপটি বিক্রেতা হকার কবির মিয়া। আগে কবির মিয়া সমবায় মার্কেটের সামনে চটপটি বিক্রি করতো। পরবর্তিতে সে লুৎফা টাওয়ার গলিতে এসে ফুটপাত দখল করে। এক পর্যায়ে লুৎফা টাওয়ারের মালিক সুমন সাহেবের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে জামান, জুয়েল ও সুমন নামে তিনজন হকারকে এ গলি থেকে বিতাড়িত করে তাদের চটি তিনটি দখল করে নেয় চটপটি কবির। সুমন সাহেবের নাম বেচেই চটপটি কবির হকারদের নেতা হয়েছে। বর্তমানে তার এ গলিতে তিনটি চটি ও একটি ষ্টোর রয়েছে।
ষ্টৈারটিও তার দখল করা।চটি তিনটিতে সে লোক বসিয়ে ব্যবসা করছে। বর্তমানে সে হকারদের কাছ থেকে প্রতিদিন ৫০ টাকা করে চাঁদা নেয়। এরপর রয়েছে পুলিশের নামে, সিটি কর্পোরেশনের নামে, নাইট গার্ডের নামে এবং বাথরুম ব্যবহারের নামে চাঁদা। রাতের বেলা চটপটি কবির হকারদের সুমন সাহেবের নাম করে বেগার খাটায়। গভীর রাত পর্যন্ত তাদের পাশের বিল্ডিং ভাঙ্গা ইট ও বালি টানতে বাধ্য করা হয়। সে ভয় দেখায়, যে এ কাজ না করবে না তাকে এ গলি থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে।
শামীম নামে একজন হকার তার দুটি হাত দেখিয়ে বলে, প্রতিদিন ইট- বালি টানার কাজ করতে করতে তার হাতে ঘা হয়ে গেছে। এখন একদিন কাজ করলে শরীর ব্যাথার জন্য তাকে দুদিন বিশ্রাম নিতে হয়। হকারদের দাবী, অবিলম্বে তারা চটপটি কবিবের চাঁদাবাজি ও নির্যাতন থেকে মুক্তি চায়।


