পুলিশের নামে হকারদের কাছ থেকে টাকা তোলেন রহিম মুন্সি
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৭:৫৩ পিএম
বঙ্গবন্ধু সড়কের ফুটপাত থেকে পুলিশের নামে টাকা তোলেন হকার নেতা রহিম মুন্সি।
নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের ফুটপাত আবারও হকারদের দখলে। প্রতি দিনই এই বঙ্গবন্ধু সড়কটিতে হকারদের সাথে পুলিশের ইঁদুর বিড়াল খেলা চলে। পুলিশ আসলে হকাররা তাদের পণ্য নিয়ে সড়কে মাঝে চলে যায়, আবার পুলিশ চলে গেলে পূর্ণরায় ফুটপাতে চলে আসে।
এটি হকারদের প্রতি দিনেরই ইঁদুর বিড়াল খেলা। গতকাল শুক্রবার সরজমিনে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু সড়কের দু’পাশের ফুটপাত হকারদের দখলে। চাষাঢ়া সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে কালীবাজার গ্রিলেন্স ব্যাংকের মোড় পর্যন্ত দু’পাশের ফুটপাত হকারদের দখলে। শুক্রবার সপ্তাহিক ছুটির দিন থাকলেও সড়কের ফুটপাত দেখে ছুটির দিন মনে হয়না। হকারদের দোকান বসানোর কারনে গাঁ ঘেষে চলাচল করতে হয় পথচারীদের।
এ বিষয়ে অনেক পথচারী জানান, শুক্রবার হলে হকারদের কারনে ফুটপাত দিয়ে চলাচল করা যায়না, তারা ফুটপাতের দু’পাশে দোকান বসিয়ে হাটা চলার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এভাবে গাঁ ঘেষে চলাচল করতে গিয়ে অনেক সময় মোবাইল মানিব্যাগ পকেটমারে চুরি করে নিয়ে যায়। তাছাড়া এমনিতে দেশে করোনার মহামারি চলছে, সরকার স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছেন কিন্তু হকারদের কারনে সড়কে স্বাস্থ্য বিধি মেনেও চলাচল করা যাচ্ছে না।
বঙ্গবন্ধু সড়কের একজন হকাররা জানান, “আমরা এহানে মাগনা বসিনা, প্রতিদিন চাঁন্দা দেই।” হকাররা আরও জানান, হকার্সলীগের সভাপতি রহিম মুন্সি প্রতিদিন আমাদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে চাঁদা নেয়। পুলিশকে দেবে বলে প্রতি দিন সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে শুরু করে কালীবাজার এর মোড় পর্যন্ত ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে চাঁদা তুলেন রহিম মুন্সি। চাষাঢ়া থেকে শুরু করে ব্যাংকের মোড় পর্যন্ত প্রায় ২০০ দোকান রয়েছে। প্রতিদিন এই ২০০ দোকান থেকে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা তুলেন রহিম মুন্সি।
মাসে প্রায় তিন লক্ষ টাকা তুলেন। কিন্তু মুন্সি এ টাকা কাকে দেয়? প্রতিদিন ত পুলিশ এসে আমাদের উঠিয়ে দেয়, মালামাল ফেলে দেয়। কিন্তু রহিম মুন্সি টাকা নেওয়ার সময় ত বলে পুলিশের টাকা। আমরা হকাররা রহিম মুন্সি সহ এই সড়কের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চাচ্ছি। এব্যাপারে রহিম মুন্সি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।


