তল্লা আজমেরীবাগে কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ অপ্রতিরোধ্য
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:৫৭ পিএম
২১ ফেব্রুয়ারী তল্লা আজমেরীবাগ এলাকায় কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ (২০) সুপরিকল্পিত ভাবে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে একই এলাকার মো. মিজানুর রহমানের পুত্র সাব্বির খানকে। মিজানুর রহমানের দাবী কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ তার ছেলেকে এলাপাথারি মারধরের পর হত্যার উদ্দেশ্যে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাচ্ছিলো।
তাই এই ঘটনায় মিজানুর রহমান নিজে বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। তার দাবি নাহিদের নেতৃত্বে চলে এই এলাকার কিশোর গ্যাং। এলাকায় এদের বিরুদ্ধে চাদাবাজি, দখলদারি, নারী কলংক জুয়া মাদকদ্রব্যে পরিচালনা করার অভিযোগ আছে। এলাকার মানুষ এদের হাত থেকে মুক্তি ও বাচঁতে চায়।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিজানুর রহমান জানান, ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকার জালাল মিয়ার পুত্র কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ, নাসিরসহ ১০/১২ জন মিলে আমার ছেলে সাব্বিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথারি ভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরবর্তিতে কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ সাব্বিরকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য ধারালো অস্ত্রসহ অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় গন্যমান্য মানুষের হস্তক্ষেপে প্রানে রক্ষা পায়। এই ঘটনার আগে নাহিদ মোবাইলে সাব্বিরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আসে।
এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার দারোগা সুকান্ত দত্ত জানান, এই বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। গ্যাং কালচারের নামে সারা দেশে কিশোরদের একটি অংশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। তারা পাড়া মহলার প্রভাবশালী মাস্তান বড় ভাইদের হয়ে সন্ত্রসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। তারা বিভিন্ন হেয়ার স্টাইল করে থাকে।
দলবেঁধে মাদক সেবন করার পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় নারীদের উত্ত্যক্ত করে। তুচ্ছ ঘটনায় মারামারি ও ঝগড়া ফ্যাসাদে জড়িয়ে পড়ছে। এসব কিশোরদের হাতে খুনোখুনির ঘটনাও ঘটছে। প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তান্ডবের শিকার হচ্ছে কেউ না কেউ।


