অর্থাভাবে বন্ধের পথে মেধাবী কলেজছাত্রীর পড়াশোনা
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২২, ০৫:৪৬ পিএম
বাবার স্বল্প উপার্জনে কোনমতে সংসার চলে। তার উপর ঘরে অসুস্থ মা। প্রতি মাসে ওষুধের পেছনেও যায় অনেক টাকা। এদিকে এই পরিবারের একমাত্র কলেজছাত্রী কন্যার পড়াশোনার অদম্য ইচ্ছা। বলছিলাম শহরের ডনচেম্বার এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আতাউর রহমান খানের কন্যা আয়শা রহমান রাবেয়ার কথা। সদ্য উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলে সে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে।
তবে স্নাতকে ভর্তি ও আসন্ন খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার। আতাউর রহমান খান বলেন, তাদের আদিবাড়ি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায়। তবে সেখানে কোন বাড়ি বা জমি নেই। দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে শহরের ডনচেম্বার এলাকায় বসবাস করেন। স্বল্প পুজির একটি স্টেশনারির দোকান চালান। তা দিয়েই সাংসারিক খরচ চালানোর পাশাপাশি মেয়ের পড়াশোনার খরচও চালাতেন।
তার উপর ডায়বেটিক, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট ও মেরুদন্ডের ব্যাথাসহ নানা রোগে আক্রান্ত স্ত্রীর খরচও বহন করতে হয় স্বল্প আয়ের মাধ্যমে। তবে গত দুই বছর করোনাকালীন সময়ে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন তিনি। সঞ্চিত টাকা-পয়সাও খরচ করে ফেলেছেন বিগত কয়েক মাসে। এদিকে মেয়ের স্নাতকে ভর্তি ও ভবিষ্যত খরচ নিয়ে দিশাহীন হয়ে পড়েছেন তিনি। অসহায় এই পিতা বলেন, ‘আমার কন্যার উচ্চশিক্ষার অনেক ইচ্ছা।
এতদিন স্বল্প আয়ে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এখন আর পারছি না। মানবতার তাগিদে কেউ যদি এগিয়ে আসেন তাহলে অন্তত মেয়েটা কাক্সিক্ষত শিক্ষা অর্জন করতে পারে। নাহলে এখানেই থেমে যাবে তার শিক্ষাজীবন।’ কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে ব্যাংক একাউন্ট: ০২০০০১৫৯৫২২১৬, মোবাইল নম্বর: ০১৭৩২৮২৩৬১৬


