নগরীর বাবুরাইল এলাকায় বাড়ির দেয়াল ভাঙচুরের ঘটনায় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। পুলিশ আসলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
এদিকে এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে বাড়িওয়ালাসহ তিনজন। মঙ্গলবার (২৪ মে) এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ভুক্তভোগী বাড়ির মালিক আবির আহম্মেদ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন- আফছার আলী মিদুন (৩৯),
জিলানী (৩৬), মিলন (৩৮), আনন্দ (৩৬),জিমি (৩৫), লিমন (৩৭), রুবেল (৩৬), ছানোয়ারা বেগম মিনু (৪৮),মনির হোসেন (৬০) এবং তুহিন (৩৭)। হামলায় আহতরা হলেন- বাড়ির মালিক মামলার বাদী আবির, বাদীর চাচাতো ভাই শাফিন ও বাদীর মা হাসিনা মমতাজ বিথী। মামলার বাদী বলেন, গত ২৩ মে দুপুরে অভিযুক্তরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দেশীয় ধারলো অস্ত্র নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা করে।
হামলায় বাদী এবং তার চাচাতো ভাই শাফিন মারাত্মক আহত হয়। হামলাকারীরা হামার দিয়ে বাড়ি ভাংচুর করছিল। এতে বাধা দেয় বাদীর পরিবার। এক পর্যায়ে হামলায় আহত শাফিনের ডাক-চিৎকারে বাদীর মা হাসিনা মমতাজ বিথী (৫০) এগিয়ে এলে তার উপরও হামলা করে অভিযুক্তরা। এ সময় তারা বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে ও হামার দিয়ে বাড়িঘরের দেয়াল ভাঙাসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।
উপায়ন্তর না পেয়ে তাৎক্ষনিক বাদী ৯৯৯ ফোন করলে ২০ মিনিটের মধ্যে পুলিশ এসে হাজির হয় ঘটনাস্থলে। ওই সময় অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। হামলায় আহত শাফিন ও হাসিনা মমতাজ বিথীকে খানপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার বাদী আবীর আহম্মেদ জানান, তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সুস্থ হতে তার একদিন সময় লেগেছে বলে মামলা করতে দেরি হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিচুর রহমান বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বাড়িঘর ভাংচুরের সত্যতা পাওয়া গেছে।


