চাঁদাবাজকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেলো ট্রাফিকের এএসআই হাসান
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২২, ০৮:৪৭ পিএম
স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আসা অটোরিক্সা আটকে চাঁদা আদায় করছিলো এক চাঁদাবাজ। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা চাঁদাবাজকে আটকে গনপিটুনির উদ্যোগ নিতে সে নিজেকে পরিচয় দেয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্য হিসেবে। খবর দেয় ট্রাফিকের এক এ এস আইকে। এস আই এসে ক্ষুব্ধ জনতার কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় চাঁদাবাজকে। ঘটনা ঘটেছে রোববার সকাল আটটায় নগরীর আমলাপাড়া আই ই টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আমলাপাড়ায় অবস্থিত আইডিয়াল স্কুল, আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আই ই টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অটোরিক্সা, মেশিন চালিত রিক্সা আসছিলো। পুলিশের পরিচয় দিয়ে স্কুলগুলির সামনে থেকে একটির পর একটি অটোরিক্সা ধরে কালিবাজার মোড়ে এনে দুইশ থেকে পাঁচশ টাকা নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছিলো দু-তিনজন যুবক।
এক অটোরিক্সা চালক বিষয়টি অভিভাবকদের জানালে আই টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এক যুবককে ধরে ফেলে অভিভাবকরা। তারা যুবককে গনপিটুনি দেয়ার উদ্যোগ নিলে যুবক নিজেকে ট্রাফিক পুলিশের কন্সটেবল ও নাম সোহাগ বলে পরিচয় দেয়। সে পুলিশ লাইনে থাকে বলে জানায়। ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের হাত থেকে বাঁচতে সে তার অফিসারকে ফোন দেয়।
ট্রাফিক পুলিশের এ এস আই হাসান এসে যুবককে প্রথমে পুলিশ সদস্য বলে পরিচয় দেয়। পরে জেরার মুখে সে জানায়, যুবক পুলিশ সদস্য না। তার সহযোগি। এসময় সে জোর করে এই যুবককে অভিভাবকদের কাছ থেকে নিয়ে কালিবাজার মোড়ে গিয়ে একই অটোরিক্সায় চড়ে চলে যায়। এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে এ এস আই হাসান জানায়, এই যুবক ট্রাফিক পুলিশের সহযোগী। তবে পুলিশ সদস্য না। এই যুবক ভুল করেছে বলে সে জানায়। এলডি/জেসি


