নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষা নদীর তলদেশের প্রায় তিন ফুট পলিথিনের স্তর পড়েছে। ফলে উপরের পানি নদীর তলদেশ হয়ে ভূ-গর্ভে যাওয়ার পরিমান কমে গেছে। দখল দূষনে শীতলক্ষা নদীর অস্তিত্ব বিপন্ন প্রায় হলেও শীতলক্ষা নদীকে বাঁচাতে কার্যকর উদ্যোগ নেই। নারায়ণগঞ্জের শিল্প কারখানাগুলি পরিশোধন ছাড়াই নদীতে বর্জ্য ফেলছে। বিভিন্ন সময়ে পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান চালালে ইটিপি প্ল্যান্টগুলি চালু করা হয়, অভিযান শেষ হলেই বন্ধ করে দেয়া হয়।
শীতলক্ষা নদীকে বাঁচাতে হলে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন পক্ষের সমন্বয় ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এ কথা বলেন। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সায়েন্স ফিকশন লেখক ও নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজ, বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চের উপদেষ্টা আবু নাঈম খান বিপ্লব, লেখক রঘু অভিজিৎ রায়, সুলতানা আক্তার, মুন্নি সর্দার প্রমুখ। বক্তব্যে কল্প বিজ্ঞান লেখক ও নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজ বলেন, এক সময় আমরা ডুলা নিয়ে বাজারে যেতাম। কাগজে বা কাঠাল পাতায় করে দোকান থেকে পড়টা ভাজি বা অন্য খাবার কিনতাম। কিন্তু এখন বাজারে যাই খালি হাতে।
দোকানদারের কাছ থেকে পলিথিন নিয়ে বাসায় এসে ঝট করে ছিড়ে পলিথিনটা নষ্ট করে ফেলে দেই। পলিথিন নালা দিয়ে গিয়ে শীতলক্ষা নদীতে পড়ে। ফলে শীতলক্ষা নদীতে তিনফুট পলিথিন জমে গেছে। অন্যদিকে দোকান থেকে পড়টা ভাজি, ভাতসহ নানা খাদ্য দ্রব্য পলিথিনে কিনে আনি। গরম খাবারের সাথে খুব সহজে পলিথিনের অংশ মিশে যায়। ফলে এটি আমাদের শরীরে ঢুকে পেটের অসুখ, ক্যান্সার, কিডনী রোগ তৈরী করছে।এলডি/জেসি


