আমাদের বাংলাদেশ হচ্ছে ছয় ঋতুর দেশ। এই ছয় ঋতুর মধ্যে গ্রীষ্মকালে আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের ফল পাওয়া যায়। বাংলা মাসের বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ এই দুই মাসকে গ্রীষ্মকাল বলা হয়। জ্যৈষ্ঠ মাস হচ্ছে মৌসুমি ফলের মধুর মাস।
এই মাসের আমাদের দেশে প্রচন্ড গরম ও তাপমাত্রা থাকে। এই মাসে আমাদের দেশের বাজার গুলোতে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, তাল সহ বিভিন্ন রকমের ফল পাওয়া যায়। আমাদের দেশে জাতীয় ফল হচ্ছে কাঁঠাল। কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’।
আমাদের দেশে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান গুলোতে গ্রীষ্মের ছুটি মানেই হচ্ছে আম-কাঁঠাল খাওয়ার ছুটি। জ্যৈষ্ঠ মাসে শেষ দিকে ফলের বাজার গুলোতে উঠতে শুরু করেছে কাঁঠাল। গতকাল নারায়ণগঞ্জ চারারগোপ পাইকারী ফলের আড়ৎতে ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রলার করে বিক্রির জন্যে কাঁঠাল নিয়ে এসেছেন পাইকাররা।
কিন্তু কাঁঠালের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও বিক্রি কম হচ্ছে বলে জানান পাইকাররা। আতাউর রহমান মীর নামে কাঁঠারের একজন পাইকার বলেন, আমি গাজীপুর জেলা কাপাশিয়া এলাকা থেকে এই কাঁঠাল বিক্রির জন্যে নিয়ে এসেছি।
আমাদের এখানে কাঁঠালের এই বছর ব্যাপক চাহিদা ও দাম বেশি, কিন্তু নারায়ণগঞ্জে আসার পর কাঁঠালের তেমন দাম পাচ্ছিনা। এখানে ছোট সাইজের কাঁঠাল একশত চার হাজার টাকা, মাঝারি আকারের একশত কাঁঠাল ছয় হাজার ও বড় সাইজের একশত কাঁঠাল দশ থেকে পনের হাজার টাকার দরে পাইকারী বিক্রি করছি।
কিন্তু এই খানে প্রচন্ড গরমের কারনে কাঁঠাল বিক্রি কম হচ্ছে। ক্রেতার সংখ্যা একে বারেই কম। মানিক নামে আরেকজন পাইকার জানান, আমাদের কাপাশিয়া এলাকায় বৃষ্টির কারনে মাল কিনতে পারি না আর এখানে কোন বৃষ্টি নাই, মাল ও বিক্রি করতে পারিনা। এসএম/জেসি


