Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

পূজার ফুলের যোগান দিয়ে বসে যেই হাট

Icon

লিমন দেওয়ান

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২২, ০৮:৩২ পিএম

পূজার ফুলের যোগান দিয়ে বসে যেই হাট
Swapno

 

ভোর ফজর নামাজের পরপরই রুটি-রুজির দায়ে কিছু মানুষ শীতলক্ষ্যা নদী পাড়ি দেয়। মাথায় ফুলের নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আসে নগরে। কেউ চাদর লুঙ্গি কেউবা ভারী পলিথিন বিছিয়ে বসে পড়েন ফুলের ঢালী সাজিয়ে। নারায়নগঞ্জ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের গ্রীনলেজ ব্যাংকের মোড় থেকে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের দুই প্রান্তের পুরো ফুটপাত জুড়ে প্রতিদিন বসে এই ফুলের হাট।

 

প্রতিদিন ভোর সাড়ে পাঁচটার থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত জমজমাট থাকে এই ফুলের হাট। এই বিক্রেতারা বেশিরভাগ আসে নদীর ওপার বন্দর থেকে। ভোরে সেখানে দেখা যায় অনেক ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতাদেরকে। মূলত নারায়ণগঞ্জ শহরে সনাতন ধর্মালম্বীদের বসবাস বেশি হওয়ায় তাদের পূজার কাজের ব্যবহৃত ফুলের যোগান দিতেই বসে এই হাট।

 

বিক্রেতারা জানান, সিটি কর্পোরেশেনের ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভী তাদেরকে এখানে বসার অনুমতি দিয়েছে। প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর যাবৎ তারা এখানে এই হাট বসান। আগে উকিলপাড়ায় এই হাটটা বসানো হতো। উনি যখন প্রথম মেয়র হলো তখন আমরা সবাই গিয়ে তাকে বললাম তারপর মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বললেন আপনারা গ্রীনলেজ ব্যাংকের মোড়ে বইসেন তারপর থেকে আমরা এখানে বসি।

 

বিক্রেতারা জানান, আমাদেরকে ভোর সাড়ে পাচঁটা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত এই হাট খোলা রাখার অনুমতি দেন। আর আমাদের ব্যবসার ফুলগুলো আসে ঢাকা শাহবাগ থেকে। পুরো নারায়ণগঞ্জ সিটি আমাদের ফুলের উপরে শতকরা ৮০ শতাংশ নির্ভরশীল। আর আমাদের সীমিত ব্যবসা আমার সীমিত লাভে এই ব্যবসা করে থাকি। সকালে পূজার জন্য সনাতন ধর্মালম্বীরাই এখানে বেশি ভিড় জমায়। আশপাশের ও এলাকার ছোট ছোট দোকানদারা ও আমাদের থেকে ফুল নিয়ে যায়। আমাদের এখানে হাট বসানেরা জন্য দোকান প্রতি কোনো চাঁদা দিতে হয় না। শুধু একটা ছেলে ঝাড়ু– দেয় তাকে আমার দোকান প্রতি ১০ টাকা করে দিয়ে থাকি। 

 

বিক্রেতারা জানান, এখানে গাদাঁ ৫০ টাকা ‘শ, গোলচী ৫০ টাকা ‘শ, আলমান্ধা ৪০ টাকা ‘শ, ঝুমকো জবা ১০০ টাকা ‘শ, কাঠ মালতী ৫০ টাকা ‘শ এখানে গাদাঁ ফুলের মালা ২০ টাকা পিছ, গোলাপ ৫ টাকা পিছ, গাজরা চেন ৫ টাকা পিছ। এছাড়া আরো ফুলের মধ্যে রয়েছে রক্ত জবা, শিউলী, করবী , চন্দ্রমলিকা, আরো বিভিন্ন জাতের ফুল পাওয়া যায়। এখানে পূজা বিয়ে শেষ কৃত্যানুষ্ঠানের ও বিভিন্ন আচারের জন্য ফুল এখানে পাওয়া যায়। এখানে আশপাশের অনেক পাইকারী দোকান ব্যসায়ীরা ও সকালে ফুল বিক্রি করে থাকে।


নগরীর এক নিবাসী মল্লিক বাবু বলেন, এখানে আমরা প্রায়ই আসি পূজার জন্য ফুল-দূর্বা-ফল নিতে। এখানে আমার খুব অল্প দামে ফুল কিনে থাকি এখানকার দোকানদাররা অনেক ভালো তাদের ব্যবহার ও অনেক অনেক ভালো। আমি প্রায় ৬/৭ বছর যাবৎ তাদেও থেকে ফুল ক্রয় করে থাকি।এমই/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন