সরকার ভারতের ‘ইশারা-ইঙ্গিতে’ এদেশ শাসন করছে : মাও. আব্দুল আউয়াল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২২, ০৮:৫৭ পিএম
ডিআইটি মসজিদের খতিব ও নারায়ণগঞ্জ উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেছেন, নবীর প্রেম ও আল্লাহর জন্য যদি কোনো বুলেট আসে তা আমরা বুক পেতে নিতে রাজি আছি। আমার জীবনের শেষ মুহুরর্ত পয়ন্ত যদি আল্লাহ এবং তার রাসুল তথা কোরআনের বিরুদ্ধে কেনো কুলাঙ্গার বা কেউ যদি কিছু বলে। প্রয়োজনে আমরা তার জিভ টেনে ছিড়ে ফেলবো। এমনিক এর জন্য বুকের তাজা রক্ত দিতে সকলে প্রস্তুত আছি।
শুক্রবার (১০ জুন) জুম্মার নামাজের পর ডিআইটি মসজিদের সামনে আয়োজিত উলামা পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মুসলমান ভাইয়েরা জানতে চায়, আমাদের সরকার চুপ হয়ে আছে কেনো? আমরা তো ভালো করে জানি যে ভারত সরকারের ‘ইশারা-ইঙ্গিতে’ বাহক হিসেবে তারা এই দেশ শাসন করেন। যার ইসারা ইঙ্গিতে আমাদের প্রাণ প্রিয় ভাইদেরকে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত জেলে আটকিয়ে রেখেছে। কতবার আলোচনা করা হলো, কিন্তু আমাদের আলেম-ওলামা ভাইদের তারা জেল থেকে মুক্তি দিতে সাহস পায় না। এরা মনে করেছে তারা বেরিয়ে আসলেই আবার জনগণ এক হইয়া না যেনো কোন আন্দোলন করে।
তিনি বলেন, নুপুর শর্মা একজন সাধারণ ব্যক্তি। সে আসলে যে কথাটুকু বলেছে সেটা তার নয়। ভারত সরকার, বিজেপি সরকার ইতিমধ্যে আমরা দেখছি, মসজিদ ভেঙে মন্দির তৈরি করেছে। নুপুর শর্মার বিরুদ্ধে মুসলিম যারা মিছিল করেছে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ একশন নিয়ে আহত করেছে। এসব কিসের ইঙ্গিত করেছে বিজিবপ সরকার। আল্লাহর পয়নম্বরের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধাচরণ-কারীকে যদি তুমি আশ্রয় দাও। অচিরেই তোমার তাতসাই খান খান হয়ে যাবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার সব নিস্তেজ করে দেয়া হবে।
মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেন, মনেরাখো এই বাংলার জামিনে বিভিন্ন যায়গায় আগুন, মহামারি ,ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো যা কিছু দেখছো সব এই আলেমদের বদদোয়া ছাড়া আর কিছু নয়। ওলামাদের অতিবিলম্ভে মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। যদি বংলার জমিনে শান্তি দেখতে চান।
তিনি আরও বলেন, সরকার মনে করে যে ভারত সরকার তাদের বসিয়ে রাখছে, কিন্তু ভারত সরকার নয় আমার আল্লাহ বসাইয়া রাখছে। যদি তুমি আল্লাহর রাসূলের বিপক্ষে চলে যাও, কথা বলতে যদি সাহস না পাও। তা হলে অচিরেই তোমারও শেষ হয়ে যাবে। আমি বার বার বলছি, এখনো সময় আছে বোঝার চেষ্টা করুন। রসূলের জন্য যদি আপনার প্রাণ না কাঁদে। এই দেশের কোটি, কোটি তৌহিদি জনতার যে প্রাণের রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তারা এই রক্ত নিয়ে মাঠে নামলে আপনি গদিতে থাকতে পারবেন না।
তাই আমি বার বার বলছি, অনতিবিলম্ভে সংসদে তার নিন্দা প্রস্তাব জ্ঞাপন করুন। ভারত সরকারের কমিশনার যারা আছেন এবং তাদের দুতাবাসকে ডেকে এনে কঠিন ভাবে নিন্দা পেশ করুন। বিচারের কাষ্টে তাকে নিয়ে আসুন। যদি সারা বিশ্বর কাছে কট্টর ভাবে ক্ষমা চায়, তা হলে সে বাঁচতে পারবে নয়তো পুরো ভারতসহ ধ্বংস হয়ে যাবে।এমই/জেসি


