Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

দমানো যাচ্ছে না ছিনতাইকারীদের

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২২, ০৬:৫৩ পিএম

দমানো যাচ্ছে না ছিনতাইকারীদের
Swapno

 


# ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়েছে ছিনতাই
# পুলিশরে নজরদারী বাড়ি দেয়া হয়েছে

 

নগরীরর আশপাশের এলাকা গুলোতে একাধিক ছিনতাইকারী চক্র রয়েছে। যাদের কাজ হলো অসহায় পরিবারের লোকদের টার্গেট করে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেই সাথে সহজ সরল ক্রেতারা কেনা কাটা করতে এসে তাদের ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়ে সব হারাচ্ছেন। তাছাড়া যাত্রীবেসে দূরে নিয়ে গিয়ে কিছু খায়িয়ে অজ্ঞান করে মালামাল ছিন্তাই করে নেয়। এই অপকর্মের হোতারা বেশি বয়সের না। নগরীর সহ পাশ্ববর্তী এলাকাতে এমন একাধিক চক্র রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসন কয়েকটি উদ্ধার করলেও বাকিরা ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে।


এদিকে এই সপ্তাহে নগরীতে লক্ষ্য করা গেছে একাধিক ছিনতাইয়ের ও গণধোলাই ঘটনা ঘটেছে। আবার কয়েকজনকে উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। কিন্তু নগরবাসী বলছে ছিনতাইকারীদের কোন ভাইবেই দমানো যাচ্ছে না। অপরাধ বিশ্লেষক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কিশোরদের অপরাধ থেকে বিরত রাখতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার, সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসব কিশোরকে নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। গড়ে তুলতে হবে পর্যাপ্ত কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র। যাতে আইনের সঙ্গে সংঘাতে আসা শিশু-কিশোরদের অপরাধ মানসিকতা দূর করা যায়। এছাড়া কিশোর-অপরাধ দমানো সম্ভব নয়।


অন্যদিকে এই ছিনতাাইকারীদের বিশেষ গ্যাং বাহিনী রয়েছে। এদের নির্মূল করতে হলে সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সচেতন নাগরিক সমাজ বলেন, ‘প্রথমত পরিবার থেকে, পরে সমাজ ও স্কুল থেকে কিশোরদের নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। এছাড়া কিশোর অপরাধ দূর করা সম্ভব নয়। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে কিশোর অপরাধীরা পার পেয়ে যায়।

 

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, সমাজব্যবস্থা, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাহচর্য ও ব্যক্তিত্বের নানাবিধ উপকরণ গ্যাং কালচার তৈরির উপাদান হিসেবে কাজ করে। একই সমাজে যখন দরিদ্রশ্রেনী ও উচ্চবিত্তের বসবাস থাকে, তখন উচ্চবিত্তের জীবনযাত্রা দেখে দরিদ্রশ্রেণির সন্তানরা নিজেদের ভাগ্যবঞ্চিত হিসেবে মনে করে হতাশা হয়ে পড়ে। আবার সমাজে যখন অস্ত্র ও বিশেষ করে মাদকের দৌরাত্ম্য থাকে তখন ছিনতাাইকারী গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকে। এছাড়া পারিবারিক পরিবেশ অনেক ক্ষেত্রেই এ সমস্যার পেছনে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া শহরের ফুটপাতে শুয়ে থাকা টোকাইরাও এই ছিন্তাইকারী চক্রের সাথে জরিত থাকে।

 

শিক্ষাবীদরা বলেন, ‘অপরাধে জড়িয়ে পড়া কিশোরদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে যে ধরনের কার্যক্রম দরকার তার কিছুই নেওয়া হচ্ছে না। ছিনতাইকারীরা কেন এই পেশয়া জড়িয়ে পরছে। তার কোন ধরণের পরিবার থেকে আসছে। বিশেষ করে ঈদ আসলেই ছিন্তাইকরী বেরে যায়। তাদের দমানোর জন্য প্রশাসনও তেমন ভূমিকা রাখতে পারছে না। এক্ষেত্রে নগরীতে পুলিশের টহল বাড়ানো উচিৎ বলে মনে করেন শিক্ষাবীদরা।


জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে শহরের আমাদের পুলিশরে টিম নজরদারী বাড়ি দেয়া হয়েছে। সেই সাথে সাদা পোশাকদারী টিম কাজ করছে।এমই/জেসি


 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন