প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চাষাঢ়া শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণে বসে ফুসকা ও চটপটির দোকান। সরেজমিনে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ টি ফুসকা ও চটপটির দোকান বসে। এসব ফুসকা ও চটপটির দোকানগুলো হচ্ছে ভাসমান। কিন্তু ভাসমান দোকান হলেরও তারা এমন ভাবে দোকানগুলোকে সাজিয়েছে দেখলে মনে হবে কোন মিনি পার্ক।
ক্রেতাদের ফুসকা ও চটপটি বসে খাবারের জন্য রয়েছে বসার চেয়ার। রুদ্রের জন্য টাঙ্গিয়ে রাখা হয়েছে বড় বড় ছাতা। এসব ভাসমান ফুসকা ও চটপটির দোকানগুলো জন্য প্রতিদিন চাষাঢ়া শহীন মিনার প্রাঙ্গণ হচ্ছে অপরিচ্ছন। তাদের দোকানে ব্যবহৃত করা টিস্যু পেপার শহীদ মিনারের চারপাশে ফেলে রাখা হয়। সব দোকানগুলো ভেতরে বসার কারনে প্রতিদিন শহীদ মিনারে ময়লা-আর্বজনার সৃষ্টি হচ্ছে।
জানা যায়, কিছু পাতি নেতা ও প্রশাসনের লোকদের প্রতিদিন তিনশত টাকা করে চাঁদা দেন ফুসকা বিক্রেতারা। প্রতিদিন এই খানে ১৫ টি দোকান বসে। প্রতি দোকান থেকে প্রতিদিন তিনশত টাকা করে চাঁদা দেয়। এ বিষয়ে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে একজন্য ফুসকা বিক্রেতা বলেন, ‘আমরা এই হানে মাগনা বয়না,প্রতিদিন চান্দা দেই’। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন তিনশত টাকা দেয়, এই টাকা এই খানের কিছু নেতা বক্সের পুলিশকে দেয়। আবার ময়লা পরিষ্কারের জন্য ত্রিশ টাকা করে নেয়।


