Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

ইজারাদার দিগুবাবুর বাজারের চাঁদাবাজি মীর জুমলায়

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২২, ০৯:১১ পিএম

ইজারাদার দিগুবাবুর বাজারের চাঁদাবাজি মীর জুমলায়
Swapno

মীর জুমলা রোডের দখলদার রুবেলের দৌরাত্ব্য বেড়েই চলেছে। কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না এই চাঁদাবাজি। এই রুবেল ইজারাদার দিগুবাবুর বাজারের কিন্তু সে দীর্ঘদিন যাবৎ এই মীর জুমলা রোড দখল করে সেখানে সকালে রাতে মিলিয়ে লোক বদল করে এই মীর জুমলা রোডে দোকান বসায় এই রুবেল। এই রোড অবৈধভাবে দখলদারকৃত রুবেল প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে। 

 

এই রোডে দোকানের চৌকি প্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়। যদি দোকান বড় হয় তাহলে সেখানে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা ও দেয়া লাগে নিয়মিত। এই রোডের দুই পাড় বঙ্গবন্ধু সড়ক থেকে শুরু করে সিরাজদৌল্লা রোড পর্যন্ত রাস্তার উপরে ফলের দোকান ১২টা, শাক-সবজির দোকান ৩৪টা, মাছের দোকান ১৩টা, আলু, পিয়াজ, আদা, রসুনের দোকান ১৫টা, পানের দোকান ৭টা, মুরগী ও গরুর মাংসের দোকান ১৪টা। এই দোকানগুলো বসিয়ে তারা সাধারণ মানুষের এই রোড দিয়ে চলাচলে বিগ্ন ঘটাচ্ছে। 

 

আবার তারা এই রোডে নিয়মিত দিগুবাবুর বাজারের ময়লা ফেলে রাখে যার কারণে মানুষ বাজারে আসলে অসুস্থ হতে পারে। তাদের এমন বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত প্রকাশ করছে। অবৈধ দোকানগুলোর চাঁদা নিয়মিত তুলেন তাদের লোক স্বপন ও রিয়াজসহ আরো ৮ থেকে ১০ জন। এই অবৈধ রোডে রিয়াজ ও স্বপনের একটি পোল্টি মুরগীর দোকান আছে। তারা এই রোড দখল করে রেখেছে তাদের ইচ্ছা মতো। 

 

এই রোডটি অবৈধ দখলের কারণে সংকীর্ণ হয়ে রয়েছে। রাস্তাটি দিয়ে যানবাহন ও প্রবেশ করতে পারছে না। এই মীর জুমলার প্রধান মুখ যেটা বঙ্গবন্ধু সড়কের সাথে ওইটা বন্ধ করে রেখেছে অস্থায়ী ভ্যানগাড়ি দিয়ে দোকান বসিয়ে। আর সিরাজদৌল্লাহ রোডের সাথে প্রবেশ মুখ রয়েছে সেটা ও বন্ধ করে রাখা হয়েছে হকারদের বসিয়ে। 

 

এ বিষয়ে ইজারাদার রুবেল যুগের চিন্তাকে বলেন, সিটি কর্পোরেশন থেকে আমরা এক বছরের জন্য এই বাজারের ডাক পেয়েছি। এটা আমাদের ডাকের বাজার। সিটি কর্পোরেশন আমাদের ডাক দিয়েছে তাই আমরা এই দোকানগুলো পেয়েছি। দোকানগুলো আমাদের না ওই দোকান যার যার মালিকানা আমরা সব্বোর্চ ডাকের মাধ্যমে ইজারাদার হয়েছি তার কারণে এই দোকানগুলো থেকে টাকা আমরা আদায় করি। 

 

আমরা এই রোডে প্রায় ৩ বছর যাবৎ ইজাদার আছি। আর যদি সিটি কর্পোরেশন মনে করে আমাদের আর ডাক দিবে না। তাহলেতো আমরা আর ডাক নিতে পারবো না। সিটি কর্পোরেশন রাস্তায় দোকান বসানোর ডাক দিয়েছে। এর জন্যই আমরা রাস্তায় দোকান বসিয়েছি। এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের হাট বাজারের এক কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামকে মুঠোফোনে কয়েকবার কল করলে তিনি কল রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আনিচুর রহমান মোল্লা বলেন, আমরা পর্যায়ক্রমে কাজ করছি।এসএম/জেসি 
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন