শহরে হঠাৎই বেড়েছে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য। বেশ কিছুদিন ধরে তৎপর হয়ে উঠেছে ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। তাদের জন্য সাধারন মানুষ সব হারিয়ে হচ্ছে নিঃস্ব। স্কুল, কলেজ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবি মানুষ পরছে নানা ধরনে বিপদে তারা পথচারীদের কাজ থেকে ছিনতাই করতে ব্যবহার করছে ব্লেড, চাকু, চাইনিজ চাকু সহ নানা ধরনের ধারালো অস্ত্র।
যার জন্য সাধারন পথচারীরাও নিরবে সব কিছু দিতে বাধ্য হচ্ছে। শুধু ছিনতাই করেই এখন ক্ষ্যান্ত হয় না ছিনতাইকারীরা। একই সাথে আক্রান্তদের ছুরিকাঘাত করা, তাদের মারধর করা এমনকি হত্যা করার মত রোমহর্ষক ঘটনাও ঘটছে।
বিশেষ করে চাষাড়া এলাকায় বিভিন্ন স্পটে তার মধ্যে অন্যতম চাষাড়া সোনালী ব্যাংক, শহীদ মিনারের পাশে, জিয়া হল, মহিলা কলেজ ও রেল স্টেশন এলাকায়। অপর দিকে শহরে ২নং রেল ইেট, করিম মার্কেটের মোড়, নারায়ণগঞ্জ থেকে সাইনবোর্ড লিংকরোড সড়কে এবং শহরের পঞ্চবটি থেকে জামতলা পর্যন্ত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কে বেড়েছে ছিনতাইকারীদের উৎপাত।
আগে থেকেই এ ধরনের ছিনতাই চলতে থাকলেও মাঝখানে করোনা পরিস্থিতির কারণে কিছুদিন বন্ধ ছিল ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য। কিন্তু এখন আবারো নতুন করে পুরোদমে শুরু হয়েছে ছিনতাই। তাই ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে।
চাষাড়া সোনালী ব্যাংকে আসা এক গ্রাহক বলেন, আমরা এখন চাষাড়া আসতে ভয় পাই কারন কখন যে ছিনতাই কারি হাতে পড়ি তাই ভয়ে থাকি সব সময়। আমাদের জেলার পুলিশ আছে কিন্তু কার্যকম নেই তারা আছে বসে গল্প করে তাদের চোখের সামনে পকেট মার ও ছিনতাই কারিরা চলাফেরা করে তার পরেও তারা নিশ্চুপ হয়ে থাকে।
এই শহরের স্কুল,কলেজ সহ শহরের আসা চাকুরীজীবি দের কাছে এক অতংকের নাম ছিনতাইকারী। এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ আনিচুর রহমান মোল্লা বলেন, আমরা সব সময় তাদের বিরুদ্ধে কাজ করছি। আমাদের পুলিশ সদস্যরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছে যাতে কোন ধরনের অপরাধ না ঘটতে পারে। আমরা যখনি খবর পাচ্ছি তখনি ব্যবস্থা নিচ্ছি। এন.এইচ/জেসি


