নারায়ণগঞ্জ শহরের যানজট যেন নিত্যদিনের সঙ্গী বঙ্গবন্ধু সড়কে ১০মিনিটের রাস্তায় সময় লাগে ৩০মিনিট যার মূল কারণ হচ্ছে যানজট ও অবৈধ পরিবহন রাস্তার মাঝে গাড়ি পার্কিং এবং শহরের বড় বড় নেতাদের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গাড়ির স্ট্যান্ড।
যার জন্য দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে শহরে যেমন চলাচলে অনুপুযুক্ত হয়ে উঠেছে এই শহর। মঙ্গলবার (১১অক্টোবর) রাত আট টায় সময় শহরের আলী আহাম্মেদ চুনকা পাঠাগারে জেলা কমিউনিটি পুলিশের মত বিনিময় সভায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার, গোলাম মোস্তাফা রাসেল শহরে জ্যামের কারনে তার কিছুটা দেরি হয় সভায় উপস্থিত হতে।
কমিউনিটির পুলিশর সভায় শহরকে যানজট মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তার পরেই ১২ অক্টোবর সন্ধায় অতিরক্তি পুলিশ সুপার ট্রাফিক, সোহান সরকার নিজে এসে চাষাড়ায় অবৈধ আটো রিক্সা ও রিক্সার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন।
করে প্রায় একশোর বেশি গাড়ি আটক করে শহরের জিয়া হলের ভিতরে রাখেন। শহরের অবৈধ পরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও কারো বাধা না মেলে তারা শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে পুরো দাপিয়ে বেড়ায় অবৈধ পরিবহন ও যার কিছু আংশ নামধারী কিছু সাংবাদিক নামে চলে বলে ট্রাফিক পুলিশ সহজে কিছু বলতে পারে না।
আবার মাঝে মাঝে অভিযানে সেগুলাও আটক করা হলে তা কিছুখন পরেই টাকার বিনিময় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি। বিশিষ্টজনরা বলছে, নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক পুলিশের অনেক ব্যর্থতা রয়েছে ও তাদের লোকজন সংকট রয়েছে যার কারনে কারা ঠিক মতো শহরে পরিচালনা করতে পারছেন না।
তারা শুধু অটোর প্রতি অভিযান পরিচালনা করে পকেট ভাড়ি করছে। কারন তারা বড় গাড়ির প্রতি এতো টা কষ্টোর না কারন যদি বড় গাড়ির বা শহরের অবৈধ স্টানের বিরুদ্ধে কিছু না কারন তারা ওখান থেকেও কিছু বিনিময় করেন ও আবার যখন কোন কিছু করেন তাহলে বড় বড় নেতাদের হুকুমে তাদের ওখান থেকে বদলি করে দেওয়া হয়।
অটো চালক রফিক মিয়া বলে, আমাদের শহরে আসা বন্ধ করে দিলে তো আর আমরা আসতে পাড়ি না। তারা বন্ধ না করে অভিযান করে এটাতো আমাদের জন্য খুব কষ্টের কারন। আমরা সারাদিনে কাজ যা কাজ করি গাড়ি যদি হঠাৎ করে দরে তাহলে সব টাকা দিয়ে আমারে গাড়ি ছাড়িয়ে নিতে হয়।
আর তারা এক রকমের চাঁদা বাজি করছে কারন প্রতিদিন অনেক আটক করে আর টাকার বিনিময় ছেড়ে দিচ্ছে। যদি আটক করেন তাহলে আর ছাড়ার দরকার কি? আপনার চাঁদা বাজি বন্ধ করেন আমরা শহরে আসা বন্ধ করে দিবো।
তারা সাংবাদিক লেখা গাড়ি দেখলে কিছু বলে না আর আমাদের গাড়ি দেখলেই আটক করে এটা কেমন। আবার কোন সময় পুলিশের সাথে যারা থাকে তারা এসে আমাদের মারধর করে গাড়ি ছিনিয়ে নিয়ে যায় ও খারাপ ভাষায় বকা দেয় আমরা কিছু বলতে পাড়ি না যদি বলি তাহলে ৩/৪জন মিলে আমাদের আরো বেশি মারে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ট্রাফিক সোহাগ সরকার বলেন, আগে দিনের অভিযান চলতো তাই সব অটো চালকরা চালাক হয়ে গেছে, এখন থেকে কখন যে অভিযান চলবে তা আমি ছাড়া আর কেউ জাবে না। শহড়কে জনযাট মুক্ত করার সব চেষ্টা আমার ট্রাফিক পুলিশ গ্রহন করবো ও চেষ্টা করবো। এন.এইচ/জেসি


