শীতলক্ষ্যায় পোনা মাছ অবমুক্তকরণের পাঁচ মিনিট পরেই মরে ভেসে উঠলো
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৩, ০৫:৩৮ পিএম
শীতলক্ষ্যার নদীর পানির কি অবস্থা তা নারায়গঞ্জবাসীর সবার জানা। শীতলক্ষ্যার নদীর পানি বছরে বর্ষকালে কিছুটা পরিবর্তন হলেও বর্ষার পর থেকে নদীর পানির পুরো পাল্টে যায়। ব্যবহারে অযোগ্য হয়ে যায়। কেউ যেনে শুনে এই নদীর পানির ব্যবহার দূরে কথা নদীর পার হবার সময় এর দুর্গন্ধে অসুস্থ বোধ করে।
জেনে শুনে এই ধরণের দূষিত নদীর পানিতে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করা এক ধরণের হাস্যকর বিষয় ও লোক দেখানো সামিল। এই ধরণের কার্যক্রম কোন সংগঠন করে থাকে তা লোক দেখানো ছাড়া আর কিছু না। এমনি এক ঘটনা ঘটে হাস্য কর ঘটনা ঘটে।
এসময় বিএনপির নেতারা বলেন এখানে মাছ ছাড়া হলে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু একটা বলা যাবে। বিএপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী মৎসজীবী দলের উদ্যোগে আয়োজিত উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন বিএপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু । শনিবার( ২১ জানুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ হাজীগঞ্জ ঘাটে শীতলক্ষা নদীতে এই মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন।
এদিকে জেলা মৎসজীবী দলের উদ্যোগে শীতলক্ষ্যা নদীতে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ করার ৫ মিনিট পরে মরে ভেসে উঠে মাছ। নবীগঞ্জ গুদারাঘাটের মাঝিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নদীর পানি নষ্ট হয়েগেছে এটি দৃশ্যমান। এটা দেখার পরেও বিএনপির নেতাকর্মীরা দুপুরে কিছু পোনা মাছ ছেড়ে দিয়ে গেছে।
এমন নষ্ট পানিতে পোনা মাছটি ছাড়া উচিত হয়নি। তাড়া অন্য কোথাও পোনা মাছগুলো অবমুক্ত করতে পারতো। লোক দেখানোর জন্য পোনা মাছগুলো অবমুক্ত করে মাছগুলোকে আরো মেরে ফেললো। মাছগুলো ছাড়ার ৫ মিনিট পরেই মরে ভেসে উঠেছে মাছগুলো।
বিএনপির নেতাকর্মীরা যাওয়ার পরে মরে ভেসে উঠা মাছগুলো আমরা কুড়িয়ে আনি কারণ মাছগুলো নষ্ট করে লাভ কি তাই ভেসে থাকা মরা মাছ ও তীরে আসা মরা মাছ কুড়িয়ে নেয়।
এই সময় মৎস্য পোনা অবমুক্ত করে বিএপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, আজকে এই শীতলক্ষ্যা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছি। কিন্তু অন্তত পরিতাপের বিষয় মাছের পোনা গুলো বাঁচবে কি না আল্লাহ ভালো জানেন। কারণ পানি এমনেই দূষিত হয়ে গেছে।
এই বিয়ষ সরকার ও প্রশাসনের কোনো নজর নেই। তাই আমরা দাবি জানাই এই নদীতে যেনো আগের মত মাছ বাঁচতে পারে এবং নদীর পরিবেশ সুন্দর থাকে। এন.এইচ/জেসি


