Logo
Logo
×

নগর জুড়ে

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮:১৩ পিএম

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী
Swapno

 

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে মানুষের জীবন যাপন। নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় যেন রাজত্ব কায়েম করছে মশা। ইদানীং নারায়ণগঞ্জ জুড়ে চলছে মশার রাজত্ব। মশার অত্যাচারে রীতিমতো অতিষ্ঠ হয়ে ওঠছে জনজীবন। নারায়ণগঞ্জে গতবছরের এ সময়ের তুলনায় বর্তমান সময়ে মশার ঘনত্ব বেড়েছে প্রায় কয়েক গুণ।

 

 

নগরীতে মশার উপদ্রব এতটায় বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সন্ধায় বসত-বাড়ির দরজা-জানালা খোলা রাখা যাচ্ছে না। সন্ধ্যায় কোনো স্থানে স্থির হয়ে বসা তো দূরের কথা, দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চতুর্দিকে মশা তার পরিবারসহ আক্রমণে নামে।

 

 

বাসা-বাড়ি, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত, বাজার-পার্ক, রাস্তা-ঘাট, যানবাহন এমনকি খেলার মাঠেও মশার যন্ত্রণা থেকে স্বস্তি পাচ্ছে না নগরবাসী। শুধু সন্ধ্যা বা রাতে নয় বরং প্রতি মুহূর্তে চলছে, এদের অবিরাম অত্যাচার। কয়েল, মশক নিধন ব্যাট, স্প্রে ব্যবহার করেও মশার আক্রমণ থেকে শতভাগ মুক্তি মিলছে না।

 

 


শিল্পনগরী নারায়নগঞ্জে ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর দিনভর কর্মব্যস্ততার পর সন্ধ্যা হতেই শুরু হয় মশার অত্যাচার। শ্রমিক অধ্যুষিত এ নগরীতে দিন দিন মশার যন্ত্রণা যেন বেড়েই চলছে। নারায়নগঞ্জের বাসিন্দারা যেন মশার কাছে অসহায়, জিম্মি। বিকেল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যার আজান পরলেই মশার উৎপাত তীব্র আকার ধারণ করে।

 

 


শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলে কয়েল ব্যবহার করে মানুষ। আর এই কয়েল নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসায় অতি মুনাফা পেতে প্রকাশ্যে মানুষের জন্য ক্ষতিকারক কয়েল বিক্রি করছে। বাজারে মশা নিধনের জন্য যেসব কয়েল বিক্রি হচ্ছে সেগুলো অধিকাংশ মানুষের জীবনের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর। অনেক কয়েলেই রয়েছে উচ্চমাত্রার বা ভিন্ন বালাইনাশক। যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।

 

 


নারায়ণগঞ্জের খানপুর ও ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের আঙিনা ও ভেতরে মশা ভনভন করছে। কয়েলের ধোয়ায় রোগীদের কষ্ট হওয়ায় কয়েল ও জ্বালানো যাচ্ছেনা। ফলে অসুস্থ রোগী ও তাদের সঙ্গে থাকা স্বজনরাও মশার যন্ত্রণায় ছটফট করছেন।

 

 


নগরবাসী বলছেন, সিটি করপোরেশনকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। প্রতিনিয়ত মশা নিধন কার্যক্রম চালাতে হবে। মশার উৎপত্তিস্থল হিসেবে পরিচিত ড্রেন ও সুয়ারেজ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নিতে হবে। রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করে দিনের পর দিন ফেলে রাখায় তাতে পানি জমে। যা মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। মশা নিধনে প্রত্যেক এলাকার জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব রয়েছে। নিজ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত করতে তাদের উদ্যোগী হতে হবে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন