Logo
Logo
×

স্বদেশ

টানা লকডাউনে ক্ষতির মুখে দোকানমালিকরা

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৭:২৬ পিএম

টানা লকডাউনে ক্ষতির মুখে দোকানমালিকরা
Swapno

করোনা প্রতিরোধে সারাদেশে চলমান সর্বাত্তোক লকডাউনের ফলে নারায়ণগঞ্জে শুধু নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরণের দোকান এখন বন্ধ আছে। আর এই বন্ধ দোকানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তৈরী পোশাক ও কাপড়ের দোকান।

জানা যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের অবস্থিত সায়াম প্লাজা, সমবায় মার্কেট, হক-প্লাজা, পানোরমা প্লাজা, মার্ক টাওয়ার, এফ রহমান সুপারমার্কেট এবং ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেটসহ প্রায় ২০ টি মার্কেটের প্রায় ৫ হাজার দোকান এখন বন্ধ। ঈদের আগে এসব তৈরী পোশাক ও কাপড়ের দোকানগুলো বন্ধ থাকায় চরম অর্থনৈতীক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এদিকে লকডাউন দীর্ঘ হলে সরকারি প্রণোদনা দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আর এক সপ্তাহের মধ্যে লকডাউন শেষ না হলে সড়কে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারিও দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা দোকান মালিক সমিতির নেতারা।


এ বিষয়ে কালীর বাজারের ফ্রেন্ডস মার্কেটের নজরুল ক্লথ স্টোরের মালিক ও কাপড় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বালেন, ‘আমরা সারা বছর যেভাবেই ব্যবসা করি কিন্তু রোজার মাসে চেষ্টা করি একটু ভালো ভাবে বেচাকেনা করতে। কিন্তু গত বছরের লকডাউন এবং এবারের লকডাউনে আমাদের রোজার মাসের বেচাকেনা এক কথায় ধ্বংষই হয়ে গেছে। শবে বরাতের সময় ঋণ করে ৭ লক্ষ টাকার কাপড় কিনেছিলাম, ভেবেছি রোজার মাসে বিক্রি করে পাওনাদারকে টাকা ফেরত দিয়ে দেবো কিন্তু গত ৭ থেকে ৮দিন ধরে বিক্রি বন্ধ থাকায় আমাদের আয় রোজগার একেবারেই বন্ধ। তাই লকডাউন যদি এভাবে চলতেই থাকে তাহলে সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদের প্রণোদনা দিয়ে হলেও সাহায্য করুন।’


শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে অবস্থিত সমবায় মার্কেটের পোশাক ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন বলেন, ‘এই লকডাউনে দেখছি সবকিছুই চলছে। খালি আমাদের মার্কেটগুলো বন্ধ। আমরা গত বছরের ক্ষতি এখনো ভালো করে কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এই রমজানে বেচাকেনা করে ভেবেছি সব ঠিক করে ফেলবো। কিন্তু লকডাউনের নামে সরকার অমাদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাথে যা শুরু করেছে তা ঠিক হচ্ছেনা। এদিকে আমাদের সাথে আমাদের পুরো পরিবার জড়িত আর শ্রমিক ও কর্মচারীও জড়িত। আমাদের দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের উপর সরকারের একটু দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।


আর নারায়ণগঞ্জ জেলা দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘আমাদের এই শহরের মধ্যেই প্রায় ৫ হাজার দোকান রয়েছে বিভিন্ন মার্কেটে। এই দোকানগুলো গত বেশ কয়েকদিন ধরেই লকডাউনের কারণে বন্ধ। এতে প্রতিটি দোকানেই দৈনিক ২০ হাজার টাকা ক্ষতি হচ্ছে। আমরা গত বছরের ক্ষতি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারি নাই, এই বছর ঋণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছি। তাই রমজান মাসে যদি বেচাকেনা না করতে পারি তাহলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে যাবো আমরা। আর লকডাউন দীর্ঘ হলে আমাদের এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবেনা।’
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন