Logo
Logo
×

আদালতপাড়া

তিন দিন দোকান বন্ধ রাখতে বলেছে নৌ থানা পুলিশ

Icon

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৩৫ পিএম

তিন দিন দোকান বন্ধ রাখতে বলেছে নৌ থানা পুলিশ
Swapno

 

# চাঁদাবাজ চক্র পাকাপোক্তভাবেই এখানে চড়াও

 

গত ৩০ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের প্রচার সংখ্যায় সর্বশীর্ষে দৈনিক যুগের চিন্তা পত্রিকায় ‘নৌ থানার সামনে মাসে লাখ টাকার চাঁদাবাজি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আদালতের নজরে আসে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) কে বিস্তারিত তদন্ত পূর্বক পুলিশ রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

 

 

গত ৪ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো.কাউছার আলমের আদালত এ আদেশ প্রদান করেন। ৮ ডিসেম্বর পুলিশ রিপোর্ট প্রাপ্তির দিন ধার্য করা হয়েছে। এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের স্টোনোগ্রাফার কাম কম্পিউটার অপারেটর (ব্যক্তিগত সহকারি) সাইফুল মীর।

 

 

গত ৩০ নভেম্বর দৈনিক যুগের চিন্তা পত্রিকায় সংবাদটি প্রচারে সেখানে উল্লেখ করা ছিলো, বন্দর ১নং সেন্টার খেয়া ঘাটের দু’পাড়ে গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক অবৈধ দোকান। এ অবৈধ দোকানগুলো থেকে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করছে একটি নামধারী চাঁদাবাজ চক্র।

 

 

এ খেয়া ঘাটটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক লক্ষ লোক পারাপার হয়। ঘাটটির পশ্চিম পাড়ে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ-থানা। সদর নৌ- থানার মেইন ফটকের সামনে  রয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক অবৈধ দোকান। এসব অবৈধ দোকানীদের দখলের কারনে ঘাটের সামনে প্রতিদিনই সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। ঘাটটির সামনে যানজট সৃষ্টি হওয়ার কারনে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের।

 

 

এবিষয়ে সংবাদে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ- থানার অফিসার ইনচার্জ জানিয়ে ছিলেন, চাঁদা কারা তুলে, কে নেয়, আমার কাছে এমন কোনো অভিযোগ আসে নাই। থানার সামনে অবৈধ দোকান এর বিষয়ে তিনি জানান, মানবিক দৃষ্টিতে দেখে উচ্ছেদ করি না। অনেক সময় করি আবার করি না।

 

 

সংবাদটি আদালতের নজরে আসায় আদালতের স্টোনোগ্রাফার কাম কম্পিউটার অপারেটর সাইফুল মীর জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিবি বিষয়টি তদারকি করবে এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন ও ঘটনার পরিস্থিতি উদঘাটন করবেন। একই সাথে সংবাদ যাচাই পূর্বক আসামিদের গ্রেপ্তার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।

 

 

কিন্তু সংবাদটি আদালতের নজরে আসার পর থেকেই বন্দর ঘাট এলাকায় ও নৌ-থানার আশে-পাশে সেই অবৈধ দোকান গুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, সেই নৌ-থানার সামনে চিত্র এক সপ্তাহে অনেকটা পাল্টে গেছে। সেখানে কোন ভাসমান দোকান নেই। থানার দেওয়াল ঘেষেও কোনো দোকান নেই। সব দোকান উচ্ছেদ হয়েছে।

 

 

সস্তিতে যাতায়াত করছেন দু’পাড়ের যাত্রীরা। এবিষয়ে একজন যাত্রী জানান, রিকশা দিয়ে আজ ঘাটের সামনে এসে নামতে পারছি। কোন ধাক্কা-ধাক্কি নেই। এতো দিনতো দোকান-পাটের জন্য এখানে ঠিক মতো চলাচল করতে পারি নাই। সড়কের দু’পাশে যেমন ফলের দোকান ছিলো আবার সড়কের মাঝেও দোকান ছিলো। এসকল দোকানের জন্য রোগী নিয়েও ঘাটের সামনে আসতে পারি না।

 

 

আমরা চাই ঘাটটি দু’পাড়ে সড়কটি চলাচলের জন্য পরিষ্কার থাকুক। এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চায়ের দোকানদার জানান, গতকাল মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) নৌ-থানার পুলিশ এসে বলেছেন তিনদিন দোকান খুলবিনা। দোকান সব উঠিয়ে নিয়ে যাবি। আবার তিন দিন পরে দোকান বসাবি।      

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন