গতকাল দৈনিক যুগের চিন্তায় ‘টাকার বিনিময়ে আসামী ছেড়ে দিলেন এসআই পলাশ’ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাতে তথ্যগত কিছু ভুলবোঝাবুঝির কারণে সংবাদটিতে কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য এসেছে। মূলত জুয়ার আইনে ১২ আসামির মধ্যে গ্রেফতার হওয়া মিঠুন ছাড়া পাওয়ার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসআই পলাশের বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগ তুলেছেন।
এছাড়া কোর্ট পুলিশের গারদ শাখার কনস্টেবল সাইফুল এই ঘটনার সত্যতা যাচাই না করেই কাগজ নেই বলে প্রতিবেদককে জানান। কিন্তু সত্য বিষয়টি হচ্ছে এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অনাকাঙ্খিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।
এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এসআই পলাশ কান্তি রায় যুগের চিন্তাকে বলেন, সাংবাদিক ও পুলিশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। এই দুই পেশাতেই কেউ সংক্ষুব্ধ হয়ে যে কোন অবান্তর অভিযোগ তুলতে পারে। যে কোন অভিযোগ উঠার পরে তা ভালোভাবে যাচাই-বাছাইয়ের পরও আরো বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
এক্ষেত্রে আসল বিষয় হলো, পুলিশে যোগদানের পর থেকেই আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। যে কোন অপরাধ নির্মূলে আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করি। এই ঘটনায় আসামিদের আটকের পরই সবাইকে প্রসিকিউশনে জুয়া আইনে মামলা দিয়েছি। পুলিশ তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। কোন অপরাধীকে ছাড় না দেয়ার প্রত্যয় নিয়েই পুলিশ কাজ করে।এন.হুসেইন রনী /জেসি


