Logo
Logo
×

বিচিত্র সংবাদ

সংঘর্ষের আগেই অবস্থান কর্মসূচির স্থান ত্যাগ করেছেন সদস্য সচিব

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৩, ০১:৪৭ পিএম

সংঘর্ষের আগেই অবস্থান কর্মসূচির স্থান ত্যাগ করেছেন সদস্য সচিব
Swapno

 


বিএনপির এক দফা আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকার প্রবেশমুখ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ চিটাগাং রোড মহাসড়কে কেন্দ্র ঘোষিত অবস্থান কর্মসূচির অবস্থান নিতে চাইলে নেতাকর্মীদের মহাসড়কে উঠতে বাধা দেয় পুলিশ। পরবর্তীতে নেতাকর্মীরা জোর করলে লাঠি চার্জের মাধ্যমে সকল নেতাকর্মীকে ছত্র ভঙ্গসহ নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

 

 

এতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির বহু নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ আহতসহ অনেকে গ্রেফতার হয়। কিন্তু পুলিশের সাথে সংঘর্ষসহ দস্তাদস্তির মাঝে কোথাও লক্ষ্যে করা যায়নি। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে। এমনকি এই বড় একটি ঘটনায় এতো বড় পদ পেয়ে ও কর্মীদের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়াতে ব্যর্থতার প্রমান দিয়েছে এই টিপু।

 

 

যার কারণে নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করছে। একটি সূত্র মতে জানা গেছে, সকাল ১০ টায় চিটাগাং রোড মোড়ে অবস্থান নেওয়ার কথা ছিল মহানগর বিএনপির। কিন্তু এর আগেই সেই স্থান পুলিশ ঘেড়াও করে ফেলে। যার কারণে সকল নেতাকর্মী শিমরাইল মোড়ের দিকে গিয়ে একত্র হয়।

 

 

সে সময় সেখানে পুলিশ তাদের ছত্র ভঙ্গ করতে চাইলে সেখান থেকে পালিয়ে যায় টিপু। পরবর্তীতে এক গল্লি দিয়ে বেড় হয়ে চিটাগাং মোড় ত্যাগ করেন টিপু। জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠা বাষির্কীর দিন বিএনপি ও পুলিশের সংঘর্ষে ও নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করেছিলেন এই টিপু।

 

 

সূত্র মতে জানা গেছে, শনিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা শিমরাইল ডাচবাংলা ব্যাংক এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। কিন্ত পুলিশের বাধায় তারা মহাসড়কে উঠতে পারেনি। ফলে পুলিশের ব্যারিকেডের মধ্যেই তারা সরকার বিরোধী নানা শ্লোগান দিতে থাকে।

 

 

এক পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের বাঁধা অতিক্রম করে মহাসড়কে অবস্থান নিতে চাইলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পাল্টা বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকেম লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে পুলিশের সর্টগানের গুলির কাছে টিকতে না পেরে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

 

 

এসময় পুলিশ ছোড়া সর্টগানের গুলিতে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুসহ ১৫/১৬ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয় ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, আড়াইহাজার পৌর বিএনপি’র সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ লিটন, মহানগর ছাত্রদল, জেলা ছাত্রদলসহ প্রায় ৭০/৮০জন নেতাকর্মী আহত হন।

 

 

জানা গেছে, এ ঘটনায় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খানসহ আওে ৪জনকে  গ্রেফতার করে ছিলেন পুলিশ পরবর্তীতে সবাইকে বন্দী করে রাখলে ও সাখাওয়াতকে বিকেলে ছেড়ে দেয় পুলিশ। কিন্তু সকলেই সেদিনের কর্মসূচিকে ঘিরে আঘাত পেলে ও কোন মামলা ও পুলিশের হাতে লার্ঠিচার্জ থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন টিপু।

 

 

যা নিয়ে বর্তমানে মহানগরী ও জেলাতে ও আলোচনা সমালোচনা ঝড় বইছে। আবার কেউ কেউ বলছে মূল সংগঠনের সদস্য সচিব হয়ে তার এই ভূমিকা রাখাটা ঠিক হয়নি। সে কর্মীদের বিপদে ফেলে রেখে নিজে বাচঁতে চাওয়া নেতার পরিচয় দিলেন। যাদের দ্বারা আগামীতে আন্দোলন সংগ্রাম আরো জোরদার হওয়া তো দূরের কথা আন্দোলণ সংগ্রামে ব্যাঘাত ঘটবে।   এন.হুসেইন রনী /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন